বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৯:২২ পিএম
আধুনিক নাগরিক জীবনে আবাসন বা বাড়ির পরিধি ক্রমশ ছোট হয়ে এলেও, সৃজনশীল অন্দরসজ্জার মাধ্যমে বসার ঘরকেই করে তোলা সম্ভব পরিবার ও অতিথিদের জন্য আরামদায়ক এক মিলনস্থল।
বর্তমান সময়ের অন্দরসজ্জার মূল দর্শনই হলো সৌন্দর্য ও স্বস্তির মেলবন্ধন। হালকা নকশার আসবাব আর প্রকৃতির ছোঁয়ায় ছোট ঘরও এখন হয়ে উঠছে প্রশান্তিদায়ক।
আসবাব নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখন উচ্চতার ওপর বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে সোফায় বসা বা উঠে দাঁড়ানোর সময় কেউ অস্বস্তি বোধ না করেন। বিশেষ করে ভালো মানের ফোম এবং ইংরেজি ‘এল’ অক্ষরের মতো সোফা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়, যার একপাশ সোফা এবং অন্যপাশ ডিভান হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
এছাড়া মাল্টিপারপাস সোফার ব্যবহারও বাড়ছে, যা আড্ডার পাশাপাশি প্রয়োজনে অতিথির বিছানা হিসেবেও কাজে লাগে। যারা আরও একটু ঘরোয়া আমেজ চান, তারা ঘরের এক কোণে মেঝেতে আরামদায়ক কুশন বিছিয়ে বসার ব্যবস্থা করতে পারেন।
বসার ঘরে আভিজাত্য ও প্রশান্তি ফিরিয়ে আনতে গাছের বিকল্প নেই। ইনডোর প্ল্যান্ট বা অন্দরের উপযোগী গাছ ঘরের বাতাসকে যেমন সতেজ রাখে, তেমনি চোখের আরামও দেয়।
ঘরের একপাশে বইয়ের তাক রাখা বা দেয়ালে চমৎকার সব অনুষঙ্গ যোগ করার মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব। তবে এই সাজসজ্জার পূর্ণতা পায় সঠিক আলো-বাতাসের চলাচলে।
ঘরে প্রাকৃতিক আলো ঢোকার পর্যাপ্ত সুযোগ থাকলে পরিবেশ সতেজ থাকে। এছাড়া কৃত্রিম আলোর ক্ষেত্রেও এখন এসেছে বৈচিত্র্য। রাতে বই পড়ার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে উজ্জ্বল আলো দেয় এমন টেবিল ল্যাম্প বা ফ্লোর ল্যাম্প ব্যবহারের পাশাপাশি অতিথিদের জন্য পুরো ঘর আলোকিত করার ব্যবস্থাও রাখা উচিত।
মূলত সঠিক আসবাব, গাছের পরশ আর সুপরিকল্পিত আলোর ব্যবহার একটি সাধারণ বসার ঘরকেও করে তুলতে পারে অসাধারণ ও স্বস্তিময়।
আরটিভি/এএইচ