images

জাতীয়

বিটিআরসির আশ্বাসে মোবাইল ব্যবসায়ীদের অবরোধ স্থগিত

রোববার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১০:৪৬ পিএম

মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা সংস্কারে আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। 

রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী এ আশ্বাস দেন।

এতে চলমান বিটিআরসি অবরোধ কর্মসূচি ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। তবে, এনইআইআর সংস্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখবেন তারা।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানান, এনইআইআর সংক্রান্ত সব জটিলতা নিরসনে বিটিআরসিতে যৌথ বৈঠকের আয়োজন করা হবে। বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, এনবিআর চেয়ারম্যান, বাণিজ্য সচিব, মোবাইল ফোন ম্যানুফ্যাকচারার অ্যাসোসিয়েশন এবং মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের (এমবিসিবি) প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন
BTRC

কঠোর কর্মসূচিতে মোবাইল ব্যবসায়ীরা, অবরুদ্ধ বিটিআরসি চেয়ারম্যান

বিটিআরসি চেয়ারম্যানের এমন আশ্বাসে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী। তারা আশা করছেন, আলোচনার মাধ্যমে এনইআইআর ইস্যুর কার্যকর সমাধান বের হবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, এনইআইআর সংস্কারসহ কয়েকটি দাবিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনের সামনে কঠোর কর্মসূচিতে নেমেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ‘বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি’র ব্যানারে আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন শত শত ব্যবসায়ী। এদিন রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত বিটিআরসি ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ পালন করেন ব্যবসায়ীরা। ভবনের ভেতরে এসময় অবরুদ্ধ ছিলেন চেয়ারম্যানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)-এর সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, আমরা বহুবার সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বৈঠকের জন্য অনুরোধ করেছি। কিন্তু, একবারও আমাদের ডাকা হয়নি। আলোচনার সুযোগ পেলে সমাধান সম্ভব ছিল। এখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। সারা দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখেছেন।

ব্যবসায়ীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা। তাদের অভিযোগ, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে লাখো ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন এই নিয়মের ফলে একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং বাড়তি করের চাপে গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইলের দাম বেড়ে যাবে।

আরটিভি/এসএইচএম