images

জাতীয়

নির্বাচনী আচরণবিধির সংশোধনী প্রকাশ

বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১১:০৭ পিএম

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাতে সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়, কোনো প্রার্থী নির্বাচন পূর্ব সময়ে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা ফলক উন্মোচন করতে পারবে না।  

‘নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কর্তৃক যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে নির্বাচনী প্রচারণা কর্মসূচির প্রস্তাব দিতে হবে। একইস্থানে ও একই সময়ে একাধিক দল বা প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা কর্মসূচির ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বয় করবে।’

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কোনো প্রার্থী জনসভা করতে চাইলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে জনসভার স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ সেই স্থানে চলাচল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন
Web-Image---Copy

জাতীর উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে যা বললেন সিইসি

‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ওপর অন্য কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড টানানো যাবে না। উক্ত ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড-এর কোনও প্রকার ক্ষতিসাধন তথা বিকৃতি বা বিনষ্ট করা যাবে না।’

এ ছাড়া সংসদীয় আসনের প্রত্যেক ইউনিয়ন বা পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড প্রতি একটি অথবা সমগ্র নির্বাচনী এলাকায় ২০টির অধিক বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না।

ইসি জানায়, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, কোনো নির্বাচনী এলাকার একক কোনো জনসভায় একইসঙ্গে ৩টির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে, সাধারণ প্রচারণার জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে না।

আরটিভি/আরএ