images

জাতীয়

হাদির দাফন শেষে মোনাজাতে কান্নায় ভেঙে পড়েন সবাই

শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৫:২২ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রাঙ্গণ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে রূপ নেয় এক শোকস্তব্ধ জনসমুদ্রে। জানাজার নামাজ শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে দাফনের সময় মোনাজাতে কান্নায় ভেঙে পড়েন উপস্থিত মুসল্লি ও শুভানুধ্যায়ীরা।

শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের কবরস্থানে ওসমান হাদির দাফন সম্পন্ন হয়। দাফন শেষে সেখানে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। 

মোনাজাতে অংশ নেন কবরস্থানের ভেতরের পাশাপাশি গেটের বাইরে অবস্থানরত স্বেচ্ছাসেবী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও। দাফনের সময় পুরো এলাকা নীরবতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। মোনাজাত শুরু হতেই অনেকে আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। কেউ দুহাত তুলে অঝোরে কাঁদতে থাকেন, কেউ নিচুস্বরে কোরআনের আয়াত পাঠ করেন। 

দাফনকালে উপস্থিতরা হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, তার মৃত্যু শুধু পরিবারের জন্য নয়, বরং গোটা দেশের জন্যই এক অপূরণীয় ক্ষতি।

একজন স্বেচ্ছাসেবী বলেন, দায়িত্বের কারণে হাদি ভাইকে কাছ থেকে দেখতে পারিনি। তাই বাইরে দাঁড়িয়ে থেকেই আক্ষেপ নিয়ে তাকে বিদায় জানাতে হয়েছে। তিনি শুধু একজন ব্যক্তি ছিলেন না, ছিলেন একটি বিশ্বাসের নাম।

হাদির পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ আরও ভারী হয়ে ওঠে। প্রিয়জনকে কবরে শায়িত করার শেষ মুহূর্তে স্ত্রী-স্বজন ও সহকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সহযোদ্ধারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে চোখের পানি মুছতে থাকেন।

আরও পড়ুন
2

ওসমান হাদির সমাধির দিকে জনস্রোত, শাহবাগে পুলিশের ব্যারিকেড

শেষ মোনাজাতে মুসল্লিরা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। যেন তিনি শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তার শোকাহত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন।

আরটিভি/এসকে