images

জাতীয়

বিএনপিই প্রথম শাপলা ট্রাজেডিকে ‘গণহত্যা’ বলেছিল: তথ্যমন্ত্রী

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬ , ০৮:২৫ পিএম

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির বিবৃতিতেই সর্বপ্রথম শাপলা ট্রাজেডিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে শাপলা স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘শাপলার শহীদগাঁথা: স্মরণ ও মূল্যায়ন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। একই অনুষ্ঠানে ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা শাপলা হত্যাকাণ্ডের বিচারকে ফ্যাসিবাদবিরোধী মুক্তিকামী জনগণের প্রাণের দাবি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপিই প্রথম সাহসিকতার সঙ্গে একে গণহত্যা বলেছিল। বর্তমান সরকার এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি অপরাধীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে শাপলা চত্বরের ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম চালানো হয়েছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া মামলার মাধ্যমে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শাপলা চত্বরের সেই নিষ্ঠুরতা ছিল ফ্যাসিবাদের চরম বহিঃপ্রকাশ। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিকামী জনগণের সংগ্রাম থামবে না।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শাপলা চত্বরে নৃশংসভাবে সব বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিয়ে প্রায় ২ লাখ গোলাবারুদ ও অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। অথচ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, কেউ মারা যায়নি, হুজুররা লাল রং মেখে শুয়ে ছিল। একজন প্রধানমন্ত্রী কীভাবে এমন কথা বলতে পারেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ।\

আরও পড়ুন
13

পে স্কেল: দ্বিগুণ হচ্ছে যাদের পেনশন

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে বিচার প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্তে এখন পর্যন্ত ৭২ জনের বেশি মানুষকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অনেকে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান আলাদা কোনো ঘটনা নয়; বরং একই ধারাবাহিকতার অংশ। একটি অন্যটির পরিপূরক হয়ে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছে।

আরটিভি/এসএস