images

জাতীয় / আইন-বিচার

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ 

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬ , ০৮:৪৬ এএম

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত (জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার (জুলাই হত্যা) মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী) পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ (১৪ জুন) পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (১৪ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে, আজ (১৪ জুন) মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই সাক্ষীর নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে গত ৩ জুন তার সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পর তা পিছিয়ে আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

আরও পড়ুন
65000

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই আমাদের সাংস্কৃতিক স্বকীয়তার মূল ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী

এর আগে এই মামলায় ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানসহ চারজন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হয়।

মামলার ১৭ আসামির মধ্যে বর্তমানে ১০ জন গ্রেপ্তার অবস্থায় ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

অন্যদিকে পলাতক রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত (জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার (জুলাই হত্যা) মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী) পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশিদ হোসেন, ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং সাবেক পরিচালক মো. খায়রুল ইসলাম।


আরটিভি/জেএমএ