বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ০৫:৫৪ এএম
দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-তে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রচলিত এলোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক এই চার পদ্ধতির সবারই নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় দেশে হোমিওপ্যাথির প্রচলন বর্তমানে বেশি। মানুষ এখন হারবাল মেডিসিনের প্রতিও উৎসাহিত হচ্ছে এবং হামদর্দ এখনো সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচির মত অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হয়েছিল। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) তারই একটি উদাহরণ। কিন্তু বিগত সরকারের সময়ে অবহেলা কারণে আজ হামের মত রোগ উদ্বেগজনক আকারে দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, শিশুদের মৃত্যুর হৃদয়বিদারক দৃশ্য আমরা অনেক বছর পর দেখলাম। যথাসময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।
তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরও উৎকর্ষ সাধন প্রয়োজন। আরও গবেষণা হওয়া উচিত, স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং এর পরিধি বাড়ানো উচিত। গবেষণার মাধ্যমে যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানো যায় তাহলে মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।
কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডা. ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলামসহ দেশের প্রখ্যাত ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকগণ।