সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ , ০১:৫৩ পিএম
ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগের কথা ভাবলে অনেকেরই প্রথম পছন্দ থাকে বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যম হলো ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করে মেয়াদ শেষে মূলধনের সঙ্গে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকায় এটি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।
কী এই ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র?
৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র হলো সরকারের পরিচালিত একটি সঞ্চয় স্কিম। নাম অনুযায়ী এর মেয়াদ পাঁচ বছর। বিনিয়োগকারী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিনিয়োগ ধরে রাখলে মেয়াদ শেষে মূল অর্থের পাশাপাশি প্রাপ্য মুনাফা পান।
এই সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে-
জেলা সঞ্চয় অফিস
জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
তফসিলি ব্যাংক
ডাকঘর
কারা কিনতে পারবেন?
বাংলাদেশি নাগরিকরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন। এজন্য সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
কী কী সুবিধা মিলবে?
সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ।
পাঁচ বছর পর নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়া যায়।
দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে সহায়ক।
বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে।
সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নগদায়ন করলে নির্ধারিত পূর্ণ মুনাফা পাওয়া নাও যেতে পারে। এছাড়া সময়ে সময়েই মুনাফার হার, বিনিয়োগসীমা এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা ও প্রচলিত বিধিমালা যাচাই করে নেওয়া উচিত।
নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের পরিকল্পনা থাকলে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র একটি কার্যকর বিনিয়োগ মাধ্যম হতে পারে। তবে বিনিয়োগের আগে বর্তমান মুনাফার হার, কর সংক্রান্ত বিধান এবং প্রযোজ্য শর্তাবলি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই হবে সবচেয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।
সূত্র: জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর
আরটিভি/এসকে