images

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র / আন্তর্জাতিক

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন উজাড় কিছুটা কমেছে, তবে পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক: গবেষণা

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ , ০৪:৪৮ পিএম

২০২৫ সালে পৃথিবীর ফুসফুস হিসেবে পরিচিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন ধ্বংসের হার কিছুটা কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় এই ক্ষতির পরিমাণ কমেছে ৩৬ শতাংশ। তবে গবেষকরা বলছেন এই হার এখনো অত্যন্ত ভীতিকর। প্রতি মিনিটে হারিয়ে যাচ্ছে প্রায় ১১টি ফুটবল মাঠের সমান বনাঞ্চল। 

 বুধবার(২৯ এপ্রিল) ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট এবং মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৪৩ লাখ হেক্টর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আদি অরণ্য বা বনাঞ্চল বিলীন হয়েছে। এক কোটি ছয় লাখ একর আয়তনের এই বনভূমি আমাদের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের প্রধান হাতিয়ার। আগের বছরের রেকর্ড ক্ষতির তুলনায় এটি কম হলেও ক্ষতির পরিমাণ বিশাল।

আরও পড়ুন
rtv

বজ্রপাতের সময় যেসব কাজ কখনোই করা উচিত নয়

আদি অরণ্য বা প্রাথমিক বনভূমি পৃথিবীর কার্বন সঞ্চয়ের মূল আধার হিসেবে কাজ করে। এই অরণ্য হারিয়ে যাওয়ার মানে হলো বায়ুমণ্ডলে কার্বনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় বন উজাড়ের গতি কিছুটা ধীর হলেও তা পৃথিবীর বাস্তুসংস্থানের জন্য যথেষ্ট নয়।

গবেষকরা তাদের প্রতিবেদনে বেশ কিছু গুরুতর বিষয়ের দিকে আলোকপাত করেছেন। বিশেষ করে তারা দাবানল বা অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন দাবানলকে এক বিপজ্জনক নতুন স্বাভাবিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে বন উজাড় মূলত মানুষের হাত ধরে বা উন্নয়নের প্রয়োজনে গাছ কাটার মাধ্যমে হতো। কিন্তু এখন প্রকৃতি নিজেই তার নিজের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে অগ্নিকাণ্ডের মাধ্যমে বনাঞ্চল বিলীন করে দিচ্ছে।

আরটিভি/এআর