images

রাজনীতি

‘নিম্নকক্ষে পিআর না হলে অভ্যুত্থানের মৌলিক আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হবে না’

শুক্রবার, ০১ আগস্ট ২০২৫ , ০৭:৪৫ পিএম

নিম্নকক্ষে পিআর না হলে জুলাই অভ্যুত্থানের মৌলিক আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হবে না বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনূস আহমদ। 

শুক্রবার (১ আগস্ট) দলটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই সনদের খসড়া’ বিষয়ক এক পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

ইউনূস আহমদ বলেন, পিআর নিয়ে গণমানুষের মধ্যে সাধারণ ঐক্য তৈরি হয়েছে। দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রকে চিরস্থায়ী উৎখাত করার নিমিত্তে জুলাই অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা তা নিশ্চিত করতে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতির নির্বাচনই একমাত্র সমাধান। 

তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০০৮ সাল থেকে পিআর নিয়ে কাজ করে আসছে। সম্প্রতি পিআর নিয়ে জনমত ও রাজনৈতিক যুথবদ্ধতা গড়ে তুলেছে। ঐকমত্য কমিশনের সাথে একক আলোচনায় পিআরের পক্ষে জোরালো অবস্থান জানিয়েছে। লিখিতভাবে পিআর নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফা আলোচনার এজেন্ডাতে নিম্নকক্ষে নির্বাচন পদ্ধতি বিষয়টিই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। 

ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, আমাদের প্রেসিডিয়াম সদস্য বৃহস্পতিবার বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত করার দাবি জানালেও রুঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। নিম্নকক্ষে পিআরের আলোচনাকে এজেন্ডাভুক্ত না করা এবং আলোচনা তুলতে বাঁধা দেওয়ার ঘটনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষোভ প্রকাশ করছে এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আচরণের নিন্দা প্রকাশ করছে।

দলের মুখপাত্র ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের ভোটের মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে, ভোটসংক্রান্ত অরাজকতা, সহিংসতা ও সন্ত্রাস বন্ধ করতে পিআর পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে পিআরই সর্বোত্তম পথ।  

তিনি আরও বলেন, নিম্নকক্ষে পিআর না থাকলে স্বৈরতন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী ছায়া এই দেশে থেকে যাবে। একটি রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার কারণে দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ও বুদ্ধিজীবীদের মতামতকে যেভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে, তা কার্যত জুলাইয়ের রক্ত ও চেতনাকে অস্বীকার করার নামান্তর। আমরা এমন আচরণ প্রত্যাশা করিনি।

আরটিভি/আরএ