images

রাজনীতি / নির্বাচন

৫ আগস্টের মতো ভোটকেন্দ্রেও গণজাগরণ ঘটাতে হবে: তারেক রহমান

শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৮:৩৩ পিএম

১৫ বছর ধরে যারা বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তাদের সেই দুঃশাসনের চিরস্থায়ী অবসান ঘটাতে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট নিয়ে রাজপথে ও ভোটকেন্দ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইলের দরুন-চরজানা বাইপাস সংলগ্ন বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র একটি নির্বাচনের দিন নয়, বরং এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভাগ্য ও অধিকার পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত দিন। 

জনসভায় তারেক রহমান টাঙ্গাইলের স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে একগুচ্ছ স্বপ্নদর্শী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদের জাতীয় অহংকার। গার্মেন্টস পণ্যের মতো এই শাড়ি যাতে বিশ্ববাজারে সরাসরি রফতানি করা যায়, বিএনপি সেই কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

এছাড়া টাঙ্গাইলকে একটি পরিকল্পিত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা এবং এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প ও আনারস চাষিদের জন্য বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে টাঙ্গাইলের অর্থনীতিকে ঢেলে সাজানো হবে।

আরও পড়ুন
4

মানুষের অধিকার ফেরাতে ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটে জবাব দিতে হবে: তারেক রহমান

সরকার গঠন করলে বিএনপির ভবিষ্যৎ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করে তারেক রহমান বলেন, দেশের মা-বোনদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে গৃহিণীদের মাসিক আর্থিক সহায়তা এবং কৃষকদের বিনামূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবরাহ করা হবে। এছাড়া ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক মর্যাদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলেম-ওলামা, খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারি বিশেষ সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।

ভোটের দিন কোনো ধরণের জালিয়াতি বা ষড়যন্ত্র রুখতে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ আপনার ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারবে না। ভোট দেওয়া শেষ হলেই দায়িত্ব শেষ হবে না, ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।

বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে নিজের আমানত রক্ষা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ দেশ কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, বরং এই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক একমাত্র জনগণ।

আরটিভি/এআর