images

ধর্ম

রমজানে সর্বোচ্চ সওয়াব পেতে করণীয় পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ আমল

রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:৫৪ এএম

রমজান শুধু রোজার মাস নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, নিয়ত নির্মলকরণ এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা বৃদ্ধি করার সময়। সৎকর্মের সওয়াব এই মাসে বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, তাই প্রতিটি মুসলমানের জন্য এটি আমলকে অর্থবহভাবে সম্পাদনের সুযোগ।

১. দান-সদকা ও যাকাত আদায়

রমজানে দান-সদকা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। এটি কেবল দরিদ্র ও অসহায়দের সাহায্য করে না, দাতার অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে, বরকত বৃদ্ধি করে এবং বিপদ থেকে রক্ষা করে। যাকাতও রমজানে আদায় করলে সম্পদের পবিত্রতা বজায় থাকে এবং ক্ষুধার্ত মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনা সম্ভব।

২. রোজাদারকে ইফতার করানো ও অসহায় পরিবারকে সহায়তা

হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে, তবে রোজাদারের সওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না। এটি নিঃস্বার্থতা ও মানবিক সংহতির প্রতীক। কমিউনিটি রান্নাঘর বা অসহায় পরিবারের জন্য ইফতার বিতরণ রমজানের মর্যাদাপূর্ণ আমল।

৩. কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করা

রমজান মাস কোরআন অবতীর্ণের মাস। কোরআন তিলাওয়াত কেবল খতম নয়; তা বোঝা, ভাবা এবং জীবনে প্রয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ। অল্প অংশ হলেও অর্থ ও অনুধাবনের সঙ্গে পাঠ করলে তা হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলে।

৪. নিজের ও অন্যের জন্য দোয়া করা

দোয়া বান্দা ও আল্লাহর সরাসরি সংযোগ। রমজানে রোজাদারের দোয়া কবুল হয়। নিজের প্রয়োজন ছাড়াও অসহায়, অসুস্থ, নিপীড়িত মানুষের জন্য দোয়া করা মানবিক সংহতির প্রকাশ।

আরও পড়ুন
OMRAH

রমজানে ওমরাহ পালনে নতুন নির্দেশনা জারি

৫. মানবসেবায় আন্তরিক অংশগ্রহণ

আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মানুষের সেবা ইবাদতের সমান। সময় দেওয়া, দক্ষতা ব্যবহার, মানবিক কার্যক্রমে সহায়তা বা অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো সবই রমজানে তাৎপর্যপূর্ণ, যদি তা আন্তরিক নিয়তে করা হয়।

রমজান আমাদের শেখায়, ধারাবাহিক সৎকর্ম, আন্তরিক নিয়ত এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়েই এই মাসকে সর্বোচ্চ সওয়াবের উৎসে পরিণত করা সম্ভব।

আরটিভি/এসকে