শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ , ০৯:১৫ এএম
সপ্তাহের সেরা দিন জুমা। মুসলমানদের কাছে এটি শুধু একটি দিন নয়, বরং এক বিশেষ রহমতের সময়। এই দিনেই এমন কিছু আমল রয়েছে, যা করলে পাওয়া যেতে পারে বহু বছরের ইবাদতের সমান সওয়াব।
ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, জুমার দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সম্মানিত। এই দিনেই প্রথম মানুষ হযরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয় এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জুমার দিনের বিশেষ গুরুত্বের কথা বারবার উল্লেখ করেছেন।
জুমার দিনে মুসলমানরা বিশেষভাবে ইবাদতে মনোযোগী হন। এই দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জামাতে জুমার নামাজ আদায় করা এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা। পাশাপাশি বেশি বেশি দোয়া করা ও দরুদ শরিফ পড়ার কথাও বলা হয়েছে।
বিশেষ করে দরুদ পাঠের গুরুত্ব এই দিনে অনেক বেশি। হাদিসে বলা হয়েছে, কেউ যদি জুমার দিন আসরের নামাজের পর নিজের জায়গায় বসে ৮০ বার একটি নির্দিষ্ট দরুদ পড়েন, তাহলে তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, তার আমলনামায় ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াবও লেখা হয়।
দরুদটি হলো—
اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّم تَسْلِيْمَا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়িল উম্মিইয়ি, ওয়া আলা আলিহি, ওয়া সাল্লিম তাসলিমা।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি উম্মি নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর এবং তাঁর বংশধরদের ওপর দরুদ ও পরিপূর্ণ সালাম প্রেরণ করুন।
ধর্মীয় আলেমরা বলেন, জুমার দিনের এই আমলগুলো মানুষকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যায় এবং আত্মাকে করে তোলে পরিশুদ্ধ। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও এই দিনটিকে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদতে সময় দেওয়া উচিত।
জুমার দিনের বার্তা একটাই—অল্প সময়ের আমলেই মিলতে পারে বড় পুরস্কার, যদি থাকে আন্তরিকতা।
আরটিভি/জেএমএ