শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ , ০৯:৩২ এএম
পবিত্র ঈদুল আজহা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত, যেখানে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা হয়। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ ইবাদতের বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—
«فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ»
অর্থ: “অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো।” — (সুরা আল-কাওসার: ২)
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন এবং নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব।
এ বিষয়ে অনেকের প্রশ্ন থাকে— কোন কোন পশু দিয়ে কোরবানি করা যায়?
যে পশু দিয়ে কোরবানি করা যাবে
ইসলামি আলেমদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু গৃহপালিত পশু দিয়েই কোরবানি করা বৈধ। এগুলো হলো—
এসব পশু ছাড়া অন্য কোনো পশু দিয়ে কোরবানি করা জায়েজ নয়। যেমন হরিণ, বন্য গরু বা অন্য বন্য পশু দিয়ে কোরবানি গ্রহণযোগ্য নয়।
এ বিষয়ে ইসলামি স্কলাররা বলেন, শরিয়ত নির্ধারিত পশু ছাড়া অন্য কোনো পশু দিয়ে কোরবানি করা বৈধ নয়। কোরবানি একটি ইবাদত। তাই এর শর্ত ও নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা জরুরি।
এ বিষয়ে হাদিসে এসেছে, হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“যার কোরবানির সামর্থ্য আছে, তবুও সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।” — (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯)
ইসলামি আলেমরা বলছেন, কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়; এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, ত্যাগ ও তাকওয়ার প্রতীক। তাই সঠিক পশু নির্বাচন ও শরিয়ত মানা অত্যন্ত জরুরি।
আরটিভি/জেএমএ