শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ , ০৯:০১ এএম
দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সামর্থ্যবান মুসলমানরা কোরবানি দিয়ে থাকেন। তবে অনেকে একা কোরবানি দিতে না পারায় শরিক হয়ে পশু কোরবানি করেন। শরিক কোরবানির ক্ষেত্রে রয়েছে নির্দিষ্ট ইসলামি নিয়ম।
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দিয়ে একজন ব্যক্তি একাই কোরবানি করতে পারবেন। এসব পশুতে একাধিক ব্যক্তি শরিক হয়ে কোরবানি করা বৈধ নয়।
অন্যদিকে উট, গরু ও মহিষে সর্বোচ্চ সাতজন পর্যন্ত শরিক হয়ে কোরবানি করা যায়। সাতজনের বেশি শরিক হলে কারও কোরবানিই শুদ্ধ হবে না বলে ফিকহের কিতাবগুলোতে উল্লেখ রয়েছে। (বাদায়েউস সানায়ে ৫/৭০, কাযিখান ৩/৩৪৯)
হযরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, তিনি বলেন—
“আমরা নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে হজ করেছি, তখন আমরা সাতজন মিলে একটি উট এবং একটি গরু কোরবানি করেছি।” (মুসলিম: ১৩১৮)
ইসলামি ফিকহের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, উট, গরু ও মহিষে দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় বা সাতজন—যে কোনো সংখ্যায় শরিক হওয়া জায়েজ। তবে শর্ত হলো, প্রতিটি শরিকের অংশ যেন এক-সপ্তমাংশের কম না হয়। যদি কারও অংশ এক-সপ্তমাংশের কম হয়, তাহলে সেই শরিকের কোরবানি শুদ্ধ হবে না। (বাদায়েউস সানায়ে ৫/৭১)
শরিয়তের এসব নিয়ম মেনে কোরবানি করাই সঠিক ও গ্রহণযোগ্য আমল হিসেবে বিবেচিত।
আরটিভি/জেএমএ