images

ধর্ম

গণক বা জ্যোতিষের কথা বিশ্বাস করলে কী হবে, যা বলছে ইসলাম

বুধবার, ২০ মে ২০২৬ , ০৩:২৬ পিএম

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাগ করলা, কথাটা ঠিক না বেঠিক? নামে একটি ডায়লগ ভাইরাল হয়েছে। একটি ভিডিও থেকে শুরু হওয়া এই সংলাপ এখন মিম, ট্রল ও ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্টে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছেন নেটিজেনরা। ভিডিওটিতে দেখা যায়, ব্যস্ত সড়কের পাশে এক যুবকের ভাগ্য গণনা করছেন এক গণক, আর বারবার একই বাক্য ব্যবহার করছেন—রাগ করলা?। তার ভঙ্গি ও কথার ধরনই ভিডিওটিকে ভাইরাল করে তোলে।

এ ধরনের গণনা বা ভবিষ্যৎ জানার দাবি নিয়ে ইসলাম কী বলে—এ নিয়ে শরিয়তে কঠোর সতর্কতা রয়েছে।

ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, অদৃশ্য বা গায়েবের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলার। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে—

“বলুন, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কেউ অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না, আল্লাহ ছাড়া।” (সুরা নামল, আয়াত : ৬৫)

আরও বলা হয়েছে—

“তাঁর কাছেই অদৃশ্যের চাবি রয়েছে, তিনি ছাড়া কেউ তা জানে না।” (সুরা আনআম, আয়াত : ৫৯)

অন্য আয়াতে এসেছে—

“আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২১৬)

হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

“যে ব্যক্তি কোনো গণকের কাছে গেল এবং তার কথা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদের ওপর অবতীর্ণ দ্বীনকে অস্বীকার করল।” (আবু দাউদ)

আরও পড়ুন
Web-Image

দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে কোরবানি দিলে কি ওয়াজিব আদায় হয়? 

আরেক হাদিসে বলা হয়েছে—

“যে ব্যক্তি কোনো গণকের কাছে গিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করল এবং তার কথা সত্য বলে বিশ্বাস করল, তার চল্লিশ দিনের নামাজ কবুল হবে না।” (সহিহ মুসলিম)

ইসলামি আলেমদের মতে, গণক বা ভবিষ্যৎ বলার দাবিদারের কথা বিশ্বাস করা গুরুতর গুনাহ। কারণ এতে আল্লাহ ছাড়া অন্যকে গায়েব জানার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যা ঈমানের পরিপন্থী।

অর্থাৎ, কোনো গণকের কথা বিশ্বাস করা ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ ও ভয়াবহ বিষয় হিসেবে সতর্ক করা হয়েছে।


আরটিভি/জেএমএ