শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ , ০৭:৫৮ পিএম
ইসলামে সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য কোরবানি আদায় করা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না করার ব্যাপারে হাদিসে কঠোর সতর্কবার্তাও এসেছে।
হাদিসে বলা হয়েছে, যার কোরবানির সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কোরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে। মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদিস: ৩৫১৯
ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং শরিয়তের বিধান অনুযায়ী তা আদায় করা। তাই কোরবানির পশু নির্বাচনের ক্ষেত্রেও ইসলামী বিধান মেনে চলা জরুরি।
ইসলামী আইন ও ফিকহবিদদের মতে, কোরবানির জন্য পশুর নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়াই মূল বিষয়। দাঁত ওঠা বা পড়া বাধ্যতামূলক নয়।
হাদিসে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, তোমরা উপযুক্ত বয়সে উপনীত পশু ছাড়া কোরবানি করবে না। সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৬৩
গরুর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ বছর পূর্ণ হতে হবে,ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১ বছর পূর্ণ হতে হবে। অর্থাৎ, কোনো গরুর দুই বছর পূর্ণ হলে বা ছাগল-ভেড়ার এক বছর পূর্ণ হলে, তার দুধ দাঁত না পড়লেও কিংবা নতুন দাঁত না উঠলেও সেই পশু দিয়ে কোরবানি বৈধ হবে।
সাধারণত গরুর দুই বছর এবং ছাগল-ভেড়ার এক বছর পূর্ণ হলে দুধ দাঁত পড়ে যায়। তাই গ্রামাঞ্চলে বা পশুর হাটে দাঁত দেখে পশুর বয়স অনুমান করা হয়। শরিয়তের দৃষ্টিতেও এভাবে বয়স নির্ধারণে সমস্যা নেই।
তবে যদি নিশ্চিতভাবে জানা যায় যে পশুর নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হয়েছে, তাহলে দাঁত না উঠলেও কোরবানি সহিহ হবে।
আরটিভি/এসকে