images

ধর্ম

মানুষের পাশে দাঁড়ালেই খুলে যায় রহমতের দরজা 

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ , ০৯:৪০ এএম

মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো, অভাবীর সাহায্য করা এবং অন্যের দোষ গোপন রাখা—ইসলামে এগুলোকে শুধু নৈতিকতা নয়, বরং বড় ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। সহীহ হাদীসে এ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

«مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৬৯৯)

অর্থ: যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিনে তার একটি কষ্ট দূর করে দেবেন।

হাদীসে আরও বলা হয়েছে, কেউ যদি কোনো অভাবগ্রস্তকে সাহায্য করে, আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্বাচ্ছন্দ্য দান করেন। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ তার দোষও দুনিয়া ও আখিরাতে গোপন রাখেন।

আরও পড়ুন
Web-Image_20260514_105354240

একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় নিয়ে ইসলামে আলোচনা করা হয়েছে

হাদীসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে বলা হয়েছে—

“আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়োজিত থাকে।”

এ শিক্ষার মাধ্যমে ইসলাম সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা, মানবিকতা এবং সহমর্মিতার এক শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাদীস মানবজীবনের সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার এক পূর্ণাঙ্গ নীতি। একজন মানুষ যখন অন্য মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তখন তা শুধু দুনিয়ার উপকারই নয়, বরং আখিরাতের মুক্তির পথও সহজ করে দেয়।

অন্যদিকে, অভাবীকে সাহায্য করা, মানুষের দোষ গোপন রাখা এবং বিপদগ্রস্তকে সহযোগিতা করা—এসব কাজকে ইসলামে আল্লাহর বিশেষ রহমত পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসলামী শিক্ষা অনুযায়ী, মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করাই আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার অন্যতম সহজ পথ।


আরটিভি/জেএমএ