শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ , ০৬:১৪ পিএম
দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। বিএনপি সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নিতে আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিযোগিতাটি দুইটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। ‘ক’ গ্রুপে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সী ফাজিল, জালালাইন, দাওরায়ে হাদিস, কামিল, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। এ গ্রুপের প্রতিযোগীদের জন্য নির্ধারিত তাফসিরের বিষয় হলো সুরা ফাতিহা, সুরা বাক্বারাহ ও সুরা আলাক।
অন্যদিকে ‘খ’ গ্রুপে অনূর্ধ্ব ৪০ বছর বয়সী কামিল, দাওরায়ে হাদিস ও আরবি-ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী, মাদরাসা শিক্ষক, খতিব, ইমাম, গবেষক, দাঈ, ইসলামি লেখক এবং ওয়ায়েজ ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নিতে পারবেন। তাদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে সুরা আন-নূর, সুরা ইয়াসিন, সুরা হুজুরাত, সুরা আর-রাহমান ও সুরা ওয়াকিয়াহ।
অংশগ্রহণকারীদের বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। আরবি ভাষায় কথা বলায় পারদর্শী হওয়ার পাশাপাশি পবিত্র কোরআনের শব্দিক অর্থ অনুবাদ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। এছাড়া উলুমুল কোরআন, উলুমুত তাফসির, হাদিস, ফিকহ, ইসলামি সাহিত্য, ইসলামের ইতিহাস এবং বাংলা ভাষাসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকতে হবে।
জাতীয় পর্যায়ে দুইজন চ্যাম্পিয়ন প্রত্যেকে ২ লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র পাবেন। এছাড়া দুইজন প্রথম রানারআপ পাবেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং দুইজন দ্বিতীয় রানারআপ পাবেন ১ লাখ টাকা, সঙ্গে থাকবে ক্রেস্ট ও সনদপত্র।
আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৩১ আগস্ট-এর মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিভাগীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকায় এক সপ্তাহের প্রশিক্ষণের পর জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীরা যথাক্রমে ২০ হাজার, ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা, ক্রেস্ট এবং সনদপত্র পাবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বিভাগীয় পরীক্ষার সময়সূচি পরে ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনী পরীক্ষায় কৃতিত্বের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিযোগীদের জন্য সাহফাহ-৩০ তাফসির, কামিলুল কোরআন, তাফসিরে জালালাইন, তাফসিরে মাজহারি, তাফসিরে ইবনে কাসির ও তাফসিরে মারেফুল কোরআন সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আবেদনের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
আরটিভি/ এসকেডি