images

সোশ্যাল মিডিয়া

এই ঘৃণ্য কাজটি যারা করেছেন, নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করুন: রিপন মিয়া

সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ , ১২:৫৭ পিএম

‘হ্যালো বন্ধুরা, আই এম রিপন ভিডিও’—ফেসবুকে কয়েক বছর আগে এই ডায়ালগ শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। নকল হাসি, ভন্ডামি আর ফিল্টার ভরা কনটেন্টের ভিড়ে একেবারে সাধারণ, সরল এক তরুণ হুট করেই সবার প্রিয় হয়ে উঠলেন। তিনি রিপন মিয়া, যাকে আমরা সবাই চিনি রিপন ভিডিও নামে।

সম্প্রতি কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী অনুমতি ছাড়া রিপন মিয়ার পরিবারের সদস্যদের ভিডিও ধারণ করেছেন। এ ঘটনায় মর্মাহত হয়ে তিনি সোমবার (১৩ অক্টোবর) একটি ফেসবুক পোস্টে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

পোস্টে রিপন মিয়া বলেন, আমি রিপন মিয়া। আপনাদের ভালোবাসা ও সাপোর্টে আমি ২০১৬ সাল থেকে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে এই স্থানে আসতে পেরেছি। এই সময়ে আমার দ্বারা কারও ক্ষতি করার কোনো রেকর্ড নেই। এমনকি যেকোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমাকে ডাকলে আমি সবসময় সাড়া দিয়েছি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যখন আমার প্রতি মানুষের ভালোবাসা বাড়তে থাকে, তখন আমার পেজ হ্যাকের চেষ্টা থেকে শুরু করে টিভিতে ইন্টারভিউ না দিলে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়।

রিপন মিয়া জানান, সোমবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা থেকে কয়েকজন টিভি সাংবাদিক আমার বাড়িতে এসেছিলেন। তারা কারও অনুমতি না নিয়ে আমার পরিবারকে ভিডিও করতে থাকেন এবং দূরে ক্যামেরা রেখে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করেন। এমনকি পরিবারের মহিলা সদস্য ঘরে থাকা সত্ত্বেও তারা অনুমতি না নিয়ে ঘরে ঢুকে যান।

তিনি বলেন, আমি সবসময় বলে এসেছি যে আমার শিক্ষা নেই, পড়াশোনা করতে পারিনি। স্বাভাবিকভাবে আমার পরিবারের কোনো সদস্যই শিক্ষিত নন এবং কখনোই তারা মিডিয়ার মুখোমুখি হননি। আমি কোনো সময় আমার পরিবারকে ফেসবুকে দেখিয়ে টাকা আয় করতে চাইনি।

তিনি আরও বলেন, চ্যানেলের নাম চাইলেই আমি প্রকাশ করতে পারতাম। তবে কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্য কখনোই আমার ছিল না। এই ঘৃণ্য কাজটি যারা করেছেন, তারা নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করুন। এভাবে টাকা আয় করে নিজের পরিবার ও সন্তানদের খাওয়াতে যদি আপনাদের বিবেক না জাগে, তাহলে আমারও আর কিছুই বলার নেই। সবাই ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া রাখবেন।

রিপন মিয়া শেষে সবাইকে ভালো থাকার প্রার্থনা এবং তার জন্য দোয়া রাখার অনুরোধ করেন।

আরটিভি/এএ/এস