শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ , ০৯:৩৭ পিএম
বাংলাদেশে মেধাবী তরুণ-তরুণীর কোনো অভাব নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
তিনি আরও বলেন, তাদের বিকাশে শুধু অনুপ্রেরণা নয়, প্রয়োজন সমান সুযোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।
এই পোস্টে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কয়েকজন মেধাবী শিক্ষার্থীর সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তাদের সংগ্রাম, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানান তিনি।
জাইমা রহমান বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কয়েকজন মেধাবী শিক্ষার্থীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়েছিল। স্কাউটিং, বিজ্ঞানমেলা, বিতর্ক, খেলাধুলা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সংগীত, শিল্পকলা, ভাষা শিক্ষা ও কোডিংসহ নানা ক্ষেত্রে তাদের অসাধারণ অর্জন রয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে প্রতিনিয়ত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
দেশে মেধাবী তরুণ-তরুণীর কোনো অভাব নেই জানিয়ে তিনি বলেন, অল্প বয়সেই অনেককে আর্থিক সংকট, পারিবারিক দায়িত্ব এবং প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার অভাবের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। অনেক সময় তাদের কাছে সফল হওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকে না।
রোল মডেলের গুরুত্ব তুলে ধরে জাইমা রহমান বলেন, তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে কাউকে বিখ্যাত বা নিখুঁত হতে হয় না। একজন বাবা-মা, শিক্ষক, প্রশিক্ষক কিংবা সমাজের যে কোনো সংগ্রামী মানুষও একজন তরুণের জন্য অনুকরণীয় হতে পারেন। তাদের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প নতুন প্রজন্মকে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অনুপ্রেরণার জন্য সব সময় দেশের বাইরের দিকে তাকানোর প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশেই এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের সাহস, মেধা ও মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা তরুণদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।
‘শুধু অনুপ্রেরণা দিলেই হবে না, প্রতিটি শিশুর জন্য এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা সমানভাবে শিক্ষা, খেলাধুলা এবং নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে’। পাশাপাশি তরুণদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
একই পোস্টে তিনি প্রশ্ন রাখেন, বাংলাদেশে যোগ্য ও মেধাবী তরুণ-তরুণীর কোনো অভাব নেই। তাদের মেধার প্রমাণ প্রতিনিয়তই মিলছে। তবে প্রশ্ন হলো, যখন তাদের আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তখন আমরা কি সত্যিই তাদের পাশে দাঁড়াতে পারছি এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছি?
আরটিভি/ এসকেডি