শনিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৫ , ০৯:৫৭ পিএম
Failed to load the video
সন্দেহবশত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে যেকোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নাজেহাল করা হতো বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে। তারই ধারাবাহিকতায় আইন হাতে তুলে নিয়ে এখনও চলছে মব।
শুধুমাত্র গত ১৪ মাসে গণপিটুনিতে নিহতের সংখ্যা ২১৬ জন। সবশেষ গাইবান্ধার গোবিন্দঞ্জে গত ২ নভেম্বর গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত হন বগুড়ার শিবগঞ্জের তিনজন। তার আগে, ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকায় গণপিটুনির ঘটনায় নিহত হন দুইজন।
সুযোগ পেলেই আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতায় হুমকিতে জীবন। কে অপরাধী আর কে নির্দোষ, মব সৃষ্টিতে বোঝার সুযোগ নেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩ মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে গণপিটুনিতে ২০৪ জন নিহত হয়। আর মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) বলছে, শুধু গত অক্টোবরে গণপিটুনিতে নিহত হয় ১২ জন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মব ভায়োলেন্স বন্ধে সরকারের ঘোষিত দৃঢ় অবস্থান বাস্তবায়নের পাশাপাশি শক্তিশালী ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, না হলে এর রেশ গড়াবে আসন্ন নির্বাচনে।
অপরাধ ও সমাজ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, ক্ষুদ্ধ বা স্বার্থ উদ্ধারই এসব ঘটনার পেছনে মুল কারণ হিসেবে কাজ করে। আইনগত ব্যবস্থা যখন সীমিত থাকছে তখন যারা মব করতে চায় তারা উৎসাহ পায়। এই জায়গায় জরুরি ভিত্তিতে লাগাম টেনে ধরে প্রয়োজন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, মবের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি তাদের।
সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায়, জনগণকে সচেতনতার পাশাপাশি দুর্নীতি এবং দুঃশাসনমুক্ত সমাজ গড়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
আরটিভি/আরএ