বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৫:৩৯ পিএম
পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না থাকায় দুপুরে নোয়াখালীর অনুশীলন ছেড়েছিলেন হেড কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন এবং সহকারী কোচ তালহা জুবায়ের। সিলেট ছাড়ার পরিকল্পনা করলেও অভিমান ভুলে বিকেলে নোয়াখালী শিবিরে যোগ দিয়েছেন তালহা-সুজন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুশীলনের মাঝেই সিএনজিতে করে মাঠ ত্যাগ করেন নোয়াখালীর প্রধান কোচ সুজন এবং সহকারী কোচ তালহা। পরবর্তীতে হোটেল থেকে ব্যাগ গুছিয়ে তারা ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। বিমানের টিকিটও কেটে ফেলেছিলেন তালহা জুবায়ের।
মাঠ ছাড়ার সময় নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে বিভিন্ন কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ঘণ্টা দুয়েক পর, বেলা সাড়ে চারটায় অবশ্য তালহাকে নিয়েই সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আবারও ফিরে আসেন তিনি।
সেই সময় তালহা জানিয়েছিলেন, কোনো কিছুই আসলে আমাদের অধীনে নেই, আমরা কোচ হওয়া সত্ত্বেও কিছু জানি না। সুজন ভাইও কিছু জানে না, আমাদের কাছে কোনো কিছুর দায়িত্ব (বুঝিয়ে) দেয়নি। অনুশীলনের কিছু নেই, বল বা স্ট্যাম্প যেটা বলেন মানে রাবারের যে স্ট্যাম্প একটাও নেই। আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করি, কিন্তু এই বিপিএলে দুইদিন ধরে কাজ করতে পারছি না।
জানা গেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং টিম ম্যানেজমেন্টের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই অনুশীলন বয়কট করেছিলেন নোয়াখালীর প্রধান কোচ। নোয়াখালী দলের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া এক কর্মকর্তা এখনও দলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখছেন বলে জানা যায়।
দলের বাইরে থাকা সেই কর্মকর্তার কারণে নোয়াখালী দলের অনুশীলনেও সমস্যা হয়। অনুশীলনে পর্যাপ্ত বল পায়নি নোয়াখালী। এমনকি পর্যাপ্ত জার্সিও পায়নি দলটি। তবুও অভিমান ভুলে মাঠে ফিরে যান সুজন।
আরটিভি/এসআর