বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ , ০৫:৪৪ পিএম
মেক্সিকান কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করে দেশটিতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ম্যাচগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন ফিফার প্রতিনিধিরা।
এক সামরিক অভিযানে মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগুয়েরা কারভান্টেস, ওরফে ‘এল মেনচো” নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এরপরই বিশ্বকাপে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
ফেডারেল নিরাপত্তা সচিব ওমর গার্সিয়া হারফুচ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, এই আন্তর্জাতিক ইভেন্ট চলাকালে যে গোয়েন্দা তথ্য, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও অপারেশনাল ব্যবস্থা নেয়া হবে, তার প্রোটোকল আমরা পর্যালোচনা করেছি।
মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। মেক্সিকোতে মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে- মেক্সিকো সিটি, গুয়ারাডালাজারা ও মন্টেরে- এই তিন শহরে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ, মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা- আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজটেকাতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় দুই বছর ধরে সংস্কারের পর আগামী ২৮ মার্চ পর্তুগালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ দিয়ে এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়াম পুনরায় খুলবে বলে নির্ধারিত রয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর সময় স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৮৭ হাজার হবে।
বুধবারের বৈঠকে ফিফা প্রতিনিধি ও হারফুচ ছাড়াও সিকিউরিটি ক্যাবিনেটের সদস্য এবং মেক্সিকো সিটি, জালিস্কো ও নুয়েভো লিওন অঙ্গরাজ্যের কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রেসিডেন্ট মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিয়েনবম বলেন, ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য বাহিনীর প্রচেষ্টায় টুর্নামেন্ট চলাকালে দেশটিতে আগত সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পর্যাপ্ত নজরদারি ও তল্লাশি থাকবে যাতে কোনো সমস্যা না হয়। এটি একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্বকাপ হবে, যেখানে দর্শনার্থীরা আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।
এছাড়া মার্চে পর্তুগালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ এবং বিশ্বকাপের খেলাগুলোর পাশাপাশি গুয়াডালাজারা ও মন্টেরেতে ছয় দলের আন্ত:মহাদেশীয় প্লে-অফ অনুষ্ঠিত হবে। এতে জ্যামাইকা, ইরাক, ডিআর কঙ্গো, সুরিনাম, নিউ ক্যালেডোনিয়া ও বলিভিয়া অংশ নেবে।
গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট শিয়েনবমের সঙ্গে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর টেলিফোনে কথা হয়। ইনফান্তিনো সহিংস ঘটনার পরও মেক্সিকোর বিশ্বকাপ সহ-আয়োজক হওয়ার সক্ষমতার ওপর “পূর্ণ আস্থা” প্রকাশ করেন।
আরটিভি/এসআর