বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬ , ০৩:০৭ পিএম
দেশের ক্রিকেটে এখন আলোচিত নাম তাওহীদ হৃদয়। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সাদা বলে নিজেকে অটোচয়েজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। আর এই সাফল্যের পেছনে স্কুল ক্রিকেটের অবদানকে সবচেয়ে বড় করে দেখছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ২০২৫-২৬ আসরকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হৃদয়।
বগুড়ার পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র থাকাকালীনই ক্রিকেটের প্রতি হৃদয়ের টান তৈরি হয়। সেখান থেকেই বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে পারফর্ম করে নজরে আসেন তিনি। সেই পথ ধরেই ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয় এবং বর্তমানে জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হয়ে ওঠা।
হৃদয় বলেন, আমার ক্রিকেটের হাতেখড়ি স্কুল ক্রিকেট থেকেই। সেই সময়ের অনেক স্মৃতি আজও চোখে ভাসে। আমাদের সময় এখনকার মতো এত সরঞ্জাম ছিল না। ব্যাটিং করতে যাওয়ার সময় একই প্যাড পরে নামার জন্য আমরা কী হুড়োহুড়িটাই না করতাম!
সবার ব্যক্তিগত কিট ছিল না, কিন্তু সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও একটা অন্যরকম উত্তেজনা ছিল। আমি নিজে টানা চার বছর স্কুল ক্রিকেট খেলেছি এবং একবার আমার স্কুল বগুড়া পুলিশ লাইনস চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল।
হৃদয় মনে করেন, স্কুল ক্রিকেট থেকে আরও অনেক ভালো খেলোয়াড় বেরিয়ে আসা সম্ভব। তবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের সময় নিয়ে কিছুটা সংস্কার চান তিনি। বর্ষাকালে খেলা আয়োজনের কারণে অনেক সময় ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়, যা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য হতাশার।
তিনি বলেন, আমি সবসময় স্কুল ক্রিকেটের খবর রাখি। গতবার দেখেছিলাম বৃষ্টির কারণে টসের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা হয়েছে। আমি চাইবো টুর্নামেন্টগুলো বর্ষার আগে বা পরে এমন সময়ে আয়োজন করা হোক, যাতে খুদে ক্রিকেটাররা প্রতিটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। মাঠের পারফরম্যান্সেই যেন জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতে ফেরার পর নিজের স্কুল থেকে রাজকীয় সংবর্ধনা পেয়েছিলেন হৃদয়। সেই কৃতজ্ঞতাবোধ থেকেই তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্তিশালী করতে স্কুল ক্রিকেটের কোনো বিকল্প নেই।
আরটিভি/এসআর