images

খেলা / অন্যান্য

দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেলেন ভারোত্তোলক মাবিয়া 

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ , ০২:১৭ পিএম

সম্প্রতি ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া প্রতিযোগিতা থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশের ভারোত্তোলনের সবচেয়ে সফল ও পরিচিত মুখ মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। 

ইসলামিক সলিডারিটি গেমস শুরুর আগে ভারোত্তোলক মাবিয়ার নমুনা গত ২৯ অক্টোবর ঢাকায় নেওয়া হয়। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সেই নমুনায় ডোপ টেস্ট পজিটিভ হওয়ায় তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ওয়ার্ল্ড এন্টি ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা)। 

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন মাবিয়াকে সেই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। এই শাস্তি কার্যকর হয়েছে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে।

এই শাস্তি নিয়ে মাবিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার অলিম্পিক থেকে আমি চিঠি পেয়েছি। ১৪ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে এমনটা চিঠিতে লেখা আছে। আমি আপিল করব।

 

তিনি বলেন, আমাদের সব সময় বলা হয়েছে একটা নাপা খেলেও যেন ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন থাকে। পেসক্রিপশন ছাড়া কোনও ওষুধ যেন না খাওয়া হয়। আমার পা ব্যথা ও ফোলা ছিল। এজন্য ওষুধ খেয়েছি, সেটার পেসক্রিপশনও ছিল।

মাবিয়া ডারউইক্স জাতীয় ওষুধ সেবন করেছিল। যা রক্তচাপ কমানো, হৃদযন্ত্রের ফেলিওর, শরীর থেকে পানি বের করার জন্য অনেক সময় চিকিৎসকরা দিয়ে থাকেন। শারীরিক কারণে এটা মাবিয়ার প্রয়োজন থাকলেও ভারত্তোলনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যে কারণে তাকে এই শাস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। 

এর আগে ২০১৬ ও ২০১৯ সালে এসএ গেমসে স্বর্ণ জিতেছিলেন। বিশেষ করে ২০১৬ সালে কিশোরী মাবিয়ার স্বর্ণ জয়ের পর কান্নার ছবি পুরো দেশবাসীকে স্পর্শ করেছিল। তার নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেকেই।

ভারত্তোলন ফেডারেশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সে দেশের একজন সম্পদ। এই পরিস্থিতিতে তাকে মানসিকভাবে সহায়তা করা হবে। তিনি যেন একা অনুশীলন করতে পারেন সেই ব্যবস্থা থাকবে। তার বয়স ২৭ বছরের কম, ফলে আর দেড় বছর পর হলেও যেন খেলায় ফিরতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াডার প্রধান কার্যালয় কানাডায়। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ও ১৪০ দেশের অর্থায়নে ওয়াডা পরিচালিত হয়। ওয়াডা প্রণীত নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রীড়াবিদদের ডোপিং টেস্ট দিতে হয়। ডোপিং পজিটিভ হলে শাস্তি হয় কোডের ধারা অনুযায়ী। আর ওয়াডার শাস্তির সুপারিশ বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

আরটিভি/এসআর