images

খেলা / ক্রিকেট

শান্ত-মুমিনুলদের ব্যাটে প্রথম দিন বাংলাদেশের

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬ , ০৬:১০ পিএম

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হকের লড়াকু ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান টেস্টের প্রথম দিনটি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ৮৫ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৩০১ রান তুলে দিন শেষ করেছে স্বাগতিকরা। ব্যক্তিগত ৪৮ রানে মুশফিকুর রহিম এবং ৮ রানে লিটন দাস অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন।

এর আগে দিনের শুরুতে শুক্রবার (৮ মে ) টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। ম্যাচে বাংলাদেশ দল দুটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে। পেসার খালেদ আহমেদ ও স্পিনার হাসান মুরাদের জায়গায় একাদশে ফেরানো হয় নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদকে। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না বাংলাদেশের। দলীয় ৮ রানেই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়কে হারায় স্বাগতিকরা। ৪ রানে একবার জীবন পেলেও শেষ পর্যন্ত ৮ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

অন্য ওপেনার সাদমান ইসলামও বেশি সময় থিতু হতে পারেননি । দলীয় ৩১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৩ রানে হাসান আলীর বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। দুজনের রেকর্ড ১৭০ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। শান্ত সাবলীল ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। বিশেষ করে শেষ ৮ টেস্ট ইনিংসে এটি ছিল তার চতুর্থ শতক।

আরও পড়ুন
Lpy

সেঞ্চুরির পর ফিরলেন শান্ত, লড়াই করছেন মুশফিক-মুমিনুল

সেঞ্চুরি পূর্ণ করার ঠিক পরের বলেই অবশ্য বিপত্তি ঘটে। মোহাম্মদ আব্বাসের নিচু হওয়া ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন শান্ত। শুরুতে আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউ নিয়ে সাফল্য পায় পাকিস্তান। ১৩০ বলে ১০১ রান করে শান্ত যখন ফেরেন, তখন দলের স্কোর ৩ উইকেটে ২০১। তার ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ২টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার মার।

শান্তর বিদায়ের পর মুমিনুল হকের ব্যাট থেকে আরেকটি সেঞ্চুরি প্রত্যাশা করছিল মিরপুরের গ্যালারি। কানপুর টেস্টের ২০ মাস পর আজ সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসেও আক্ষেপে পুড়তে হয় তাকে। নোমান আলীর ঘূর্ণিতে ব্যক্তিগত ৯১ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ১৯৯ বলের এই লড়াকু ইনিংসে ১০টি চারের মার ছিল। যদিও রিভিউ নিয়েছিলেন মুমিনুল, কিন্তু আম্পায়ার্স কলে তাকে বিদায় নিতে হয়।

দিনের শেষভাগে আর কোনো উইকেট হারাতে দেননি অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে মুশফিক হাফসেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে গেছেন। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি, হাসান আলী, মোহাম্মদ আব্বাস ও নোমান আলী একটি করে উইকেট শিকার করেন।

আরটিভি/এআর