images

খেলা / ফুটবল

পুরো চার্জে ৬ ঘণ্টা মাঠে গড়াবে এবারের বিশ্বকাপের বল

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ০১:৪৭ পিএম

ফুটবল মানেই বাতাসভরা চামড়ার গোল বল এ ধারণা এখন অনেকটাই বদলে গেছে। প্রযুক্তির যুগে এবার এমন এক বল নিয়ে মাঠে নামবে বিশ্বের সেরা ফুটবলাররা, যেটিকে খেলার আগে চার্জও দিতে হয়!

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নাম অ্যাডিডাস ট্রাইওন্ডা। স্প্যানিশ এই শব্দের বাংলা অর্থ ‘তিন ঢেউ’। যা বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশের ঐক্যের প্রতীক। 

WC26_OMB_Global_Product_Pro_Ball_Tech

বলটির নকশায় ব্যবহৃত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নীল, কানাডার লাল এবং মেক্সিকোর সবুজ রং। পাশাপাশি রয়েছে কানাডার ম্যাপলপাতা, মেক্সিকোর ঈগল এবং যুক্তরাষ্ট্রের তারকা প্রতীক। সোনালি অলংকরণ বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

তবে ট্রাইওন্ডার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর ভেতরে থাকা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। অ্যাডিডাস বলটির মধ্যে ৫০০ হার্টজ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মোশন সেন্সর চিপ সংযুক্ত করেছে, যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এই প্রযুক্তি রিয়েল-টাইমে বলের স্পর্শ, গতি ও অবস্থান বিশ্লেষণ করে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ব্যবস্থাকে তথ্য সরবরাহ করবে। ফলে অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা বল স্পর্শসংক্রান্ত বিতর্কিত সিদ্ধান্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নেওয়া সম্ভব হবে।

অ্যাডিডাসের তথ্যমতে, বলটির সেন্সর সিস্টেম একবার পূর্ণ চার্জ দিলে প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে, যা একটি ম্যাচ পরিচালনার জন্য যথেষ্ট সময়।

অ্যাডিডাস ফুটবলের মহাব্যবস্থাপক স্যাম হ্যান্ডি বলেন, প্রতিটি ছোট বিষয়ই বড় প্রভাব ফেলে। খোদাই করা নকশা, স্তরযুক্ত গ্রাফিকস ও উজ্জ্বল রং এই বলকে আলাদা করেছে। এটি আমাদের তৈরি সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিশ্বকাপ বলগুলোর একটি।

আরও পড়ুন
WC

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ, কখন কোথায় দেখবেন

১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ‘টেলস্টার’ দিয়ে ফিফার সঙ্গে অ্যাডিডাসের যাত্রা শুরু হয়। এরপর প্রতিটি বিশ্বকাপেই নতুন প্রযুক্তি ও নকশার সমন্বয়ে বল তৈরি করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রাইওন্ডা সেই ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আধুনিক বিশ্বকাপ বল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরটিভি/এসকে