মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ , ০৮:২৭ পিএম
সমীকরণ মিলে গেছে ৩৬ বছর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি হতে পারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। কাতার বিশ্বকাপ জেতায় আর্জেন্টাইন ভক্তরা কথার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকলেও চোখ রাঙাচ্ছে পরিসংখ্যান। জয়ের দিক থেকে সেলেসাওরা এগিয়ে রয়েছে এখনও।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র চারবার একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। জয়ের পাল্লাটা ব্রাজিলেরই বেশি। দুবার জয়ের বিপরীতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একবার হেরেছে সেলেসাওরা। আর একটি ম্যাচ অমীমাংসিতভাবে ড্র হয়। তবে শেষবারের দেখা জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিল ফুটবলবিশ্বের এই দুই পরাশক্তি। সেবার আলবিসেলেস্তেদের ২-১ গোল ব্যবধানে হারিয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের ৩২তম মিনিটে রিভেলিনোর করা গোলে এগিয়ে যায় সেলেসাওরা। অবশ্য তিন মিনিট পরেই মিগুয়েল ব্রিনদিসির করা গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। আর ৪৯তম মিনিটে জাইরজিনহোর এগিয়ে আরও একবার এগিয়ে যায় ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত হয় তাদের।
চার বছর পরের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে একই গ্রুপে পড়ে দুদল। সেবার অবশ্য জিততে পারেনি কেউই। ১৯৭৮ সালের ১৮ জুন অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি গোলশূন্যতে ড্র হয়।
১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের মতো মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। স্পেনে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে সেলেসাওদের কাছে হেলে পানি পায়নি তিনবারের বিশ্বচ্যাস্পিয়নরা। সেবার ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানেই হেরেছিল আর্জেন্টিনা।
ইতালিতে অনুষ্ঠিত ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে চতুর্থ এবং শেষবারের মতো একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল। আগের দুই হারের প্রতিশোধ নিতেই এবার খেলতে নেমেছিল আলবিসেলেস্তেরা। সেবারের বিশ্বকাপের রানারআপ হওয়া দলটি ব্রাজিলকে হারিয়েছিল ১-০ গোল ব্যবধানে। জয় নির্ধারণী একমাত্র গোলটি করেছিলেন কানিগিয়া।
দীর্ঘ ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় দুদল- এমনটা আশা করছেন সবাই। ভক্তদের এই প্রত্যাশা সত্যিতে পরিণত হবে কি না- তা সময়ই বলে দেবে।
আরটিভি/এসআর