images

খেলা / ফুটবল

বালোগোনের লাল কার্ড নিয়ে ফিফা সভাপতির সঙ্গে যে কথা হয়েছিল ট্রাম্পের

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ , ০৮:৫৯ পিএম

চলতি বিশ্বকাপে বসনিয়ার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দলের তারকা ফরোয়ার্ড ফ্লোরিয়ান বালোগান। তবে বেলজিয়াম ম্যাচের আগে নাটকীয়ভাবে সেই লাল কার্ড স্থগিত করা হয়। ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পান বালোগান।

যার ফলে সমালোচনায় ভাসছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা। এর মাঝেই ফিফা সভাপতি স্বীকার করলেন লাল কার্ড ইস্যুতে ফোন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

ফিফার বিবৃতিতে ইনফান্তিনো বলেছেন, হ্যাঁ, ট্রাম্প আমাকে ফোন করেছিলেন। বিশ্বকাপের আয়োজন নিয়ে ওর সঙ্গে আমার প্রায় কথা হয়। তবে লাল কার্ড নিয়ে ফিফার সিদ্ধান্তে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। ওকে আমি বলেছিলাম, ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি আলোচনা করছে। তারাই সব সিদ্ধান্ত নেবে। এতে আমার বা আপনার কিছু করার নেই।

আরও পড়ুন
LIcopy

যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করে ট্রাম্পকে বেলজিয়ামের খোঁচা!

বিবৃতিতে ফিফা সভাপতি বলেছেন, ফোলারিন বালোগুনের সাসপেনশনের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অনেক কথা হচ্ছে। সকলকে বলতে চাই, ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি ফিফার নিয়ম মেনেই সব করেছে। তাদের মনে হয়েছে, বালোগুনের লাল কার্ড একটু বেশিই কড়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই ওর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি ফিফাকে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করার অনুরোধ করেছিলাম। কারণ আমার মনে হয়েছিল ওটা ফাউল নয়। আমি স্রেফ আরও এক বার দেখতে বলেছিলাম। সিদ্ধান্ত বদলে দেওয়ার নির্দেশ দিইনি।

তিনি আরও বলেন, আমি জীবনে কখনও এ জিনিস দেখিনি। আমি ম্যাচটা দেখেছি। ওটা মোটেই ফাউল ছিল না। কোনও নিয়ম ভাঙা হয়নি। দুই জন ফুটবলার জোরে ছুটে আসার সময় একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। ব্যস, এটুকুই।

ব্রাজিলের রেফারি রাফায়েল ক্লসের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বলেছেন, ‘ওই রেফারিকে আমার বেশ সন্দেহজনক মনে হয়েছে। ওর অতীত দেখলেও বুঝতে পারবেন। আমি আর কোনও কথা বলে বিতর্ক বাড়াতে চাই না। কিন্তু ও বেশ সন্দেহজনক।’

১৯৯৮-এ সালে লরাঁ ব্লাঁ বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে পারেননি কার্ড সমস্যায়। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে জার্মানির স্ট্রাইকার মাইকেল বালাকও খেলতে পারেননি একই কারণে।

কোনও দেশের পক্ষ থেকে ফিফার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়নি বা রাষ্ট্রপ্রধানে ফোন করেননি ফিফাকে। ট্রাম্প যে কাজ করেছেন, তাতে বিশ্বফুটবল এবং ফিফা আরও কলুষিত হল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। ইনফান্তিনো ট্রাম্পের পাশে দাঁড়ালেও বিতর্ক কমছে না।

আরটিভি/এসআর