images

খেলা / ফুটবল

পাঁজরের হাড়ে চিড় ও শ্বাসকষ্ট নিয়েই বিশ্বকাপে খেলেছেন পারেদেস

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ , ১১:২৩ পিএম

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর নানা বিতর্কে আলোচনায় থাকা আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে নিয়ে এবার সামনে এসেছে নতুন তথ্য। জানা গেছে, পাঁজরের হাড়ে চিড় এবং শ্বাসকষ্ট নিয়েই তিনি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচগুলো খেলেছেন।

ইএসপিএনের আর্জেন্টাইন ক্রীড়া সাংবাদিক মার্তিন আরেভালো প্রথম এ তথ্য প্রকাশ করেন। পরে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেষ ষোলো থেকে ফাইনাল পর্যন্ত পারেদেস গুরুতর চোট নিয়েই মাঠে নামেন। পাঁজরের হাড়ে চিড় থাকার পাশাপাশি মাঝে মাঝে তার শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। তবে প্রতিপক্ষ যাতে তার শারীরিক দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে, সে কারণে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল।

চোট সত্ত্বেও আর্জেন্টিনার মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পারেদেস। বিশ্বকাপের শুরুতে তিনি নিয়মিত একাদশে না থাকলেও, দলকে ভারসাম্য দিতে কোচ লিওনেল স্কালোনি তাকে শুরুর একাদশে জায়গা দেন। সুযোগ পেয়ে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কোচের আস্থার প্রতিদানও দেন তিনি।

বিশ্বকাপে পারেদেস ৮ ম্যাচে মোট ৪৭৫ মিনিট খেলেছেন। এ সময়ে তার ৫০৯টি পাসের মধ্যে ৪৭৭টি সফল ছিল, যা প্রায় ৯৩ শতাংশ সাফল্যের হার। এছাড়া তিনি চারটি গোলের সুযোগ তৈরি করেন। রক্ষণে ৯টি ট্যাকলের মধ্যে ৮টিতে সফল হওয়ার পাশাপাশি ৮টি ইন্টারসেপশন এবং ১৩টি ক্লিয়ারেন্স করেন।

চোটের কারণে শ্বাসকষ্ট থাকলেও তার পারফরম্যান্সে এর দৃশ্যমান কোনো প্রভাব পড়েনি।

আরও পড়ুন
ARGENTINA-VS-SPAIN

জানা গেল স্পেন-আর্জেন্টিনার মুখোমুখির সম্ভাব্য সময়

চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, পাঁজরের হাড়ে চিড় পুরোপুরি সেরে উঠতে সাধারণত ৩ থেকে ৬ সপ্তাহ সময় লাগে। এ ধরনের চোটে প্লাস্টার করা যায় না; ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রেখে স্বাভাবিকভাবে হাড় জোড়া লাগার অপেক্ষা করতে হয়।

এ কারণে বিশ্বকাপ শেষে নিজের ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের হয়ে পারেদেসকে কয়েকটি ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরটিভি/এসকে