শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬ , ০৯:৪৩ পিএম
চৈত্র মাসের প্রথম দুই সপ্তাহজুড়ে দেশের আবহাওয়া ছিল তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। কোথাও হালকা বৃষ্টি, কোথাও ভারী বর্ষণ, আবার কোথাও বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির ঘটনাও ঘটেছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মার্চ মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়েনি। ফলে মাসজুড়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল। তবে ১৫ চৈত্রের পর থেকে গরমের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে।
এদিকে সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সামনে চৈত্র ও বৈশাখ মাসজুড়ে তাপপ্রবাহের মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সময়ে একাধিক তাপপ্রবাহ, কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এতে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
এছাড়া ১ থেকে ২টি তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে। এসব তাপপ্রবাহের কারণে দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপে রূপ নিয়ে পরবর্তীতে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী, বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আবহাওয়ার এই বৈরী পরিস্থিতিতে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরটিভি/এসকে