নোট বাতিল কাণ্ডে এবার প্রাণ গেলো বৃদ্ধ কৃষকের। পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে খেতমজুরের মজুরি দিতে না পারায় পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বর্গাচাষি শিবু মান্ডি (৬০) আত্মহত্যা করেন। সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশে একটি গাছে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।
শিবু মান্ডির ছেলে মিলনের অভিযোগ, বাবা দেড় বিঘা জমিতে পিঁয়াজের চাষ করেছিলেন। তবে পুরোনো ৫০০ ও হাজার টাকার নোট খেতমজুররা নিতে না চাওয়ায় তিনি খুব সমস্যায় পড়েন। অথচ তারা বারবার টাকার জন্য তাগাদা দিচ্ছিলেন। এ নিয়ে বাবা ও মায়ের মধ্যে কথা কাটাকাটিও হয়। তাই হতাশাগ্রস্ত হয়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
শিবুর স্ত্রী সুন্দরী মান্ডি জানান, খেতমজুররা মজুরি বাবদ ২ হাজার টাকা পেতেন। পুরোনো নোট ভাঙাতে না পারায় তিনি তা দিতে পারছিলেন না। খেতমজুরদের মজুরি দিতে না পারায় অপমানিতও হন। সে জন্যই তিনি চরম পথ বেছে নিয়েছেন।
সমবায় সমিতিতে টাকা নিতে গিয়ে একাধিক বার ফিরে আসতে হয়েছে শিবুবাবুকে। সমিতি থেকে বলা হয়েছে- নগদ নেই।
টাকার অভাবে জেলার বহু চাষি চাষের কাজ করতে সমস্যায় পড়ছেন। অনেকে জমিতে চাষ করাই বন্ধ করে দিয়েছেন।
এদিকে ডাকঘরে টাকা তুলতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে চুঁচুড়ার অনিল ঘোষের (৭৫)। নোটের জন্য লাইনে দাঁড়ানোর ধকল সহ্য করতে না পেরে দিন কয়েক আগে দিনহাটায় মৃত্যু হয় ধরণীকান্ত ভৌমিক নামে এক বৃদ্ধর।
এস




