রাজধানীর বেশ ক’টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এখনো বসানো হয়নি ক্লোজ সার্কিট(সিসি) ক্যামেরা। আবার যে পয়েন্টগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে, তার বেশিরভাগই অকেজো হয়ে আছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় বাংলামটরে নেই কোনো সিসি ক্যামেরা। নেই পান্থপথ মোড়সহ বেশ ক‘টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও। শাহবাগ মোড়ে ক্যামেরা থাকলেও এগুলোর কয়েকটি নষ্ট।
এছাড়া রাজধানীর উত্তরায় ব্যাপক পরিসরে সিসি ক্যামেরা থাকলেও উত্তরা পূর্ব থানায় গিয়ে দেখা যায় ওই এলাকায় বসানো ক্যামেরাগুলোর বেশিরভাগই নষ্ট।
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানালেন, সিসি ক্যামেরাগুলো যারা লাগিয়েছেন, তারা নিজেদের উদ্যোগেই লাগিয়েছেন। কিন্তু এগুলো মনিটরিং সিস্টেম দেখাশোনা করে পুলিশ। মনিটরিং ঠিকমতো হচ্ছে কি না, ক্যামেরাগুলোতে ছবি ঠিকমতো ধারণ হচ্ছে কি না, সেগুলোই আমরা সমন্বয় করি।
তিনি জানালেন, হোটেল, রেস্তোরা ও দেশি-বিদেশি গুরুত্বপূর্ণ অফিসগুলোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সেগুলোর সিসি ক্যামেরাগুলো যেনো নিয়মিত পরিচর্যা ও মেরামত করা হয় তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
সমাজবিজ্ঞানী জিনাত হুদা অহিদ জানালেন, অফিসিয়াল ইকুয়িপমেন্টস কারো পারসনাল ইকুয়িপমেন্টস না। সুতরাং এটাকে আপনি যেনতেনভাবে কেউ ব্যবহার করতে পারে না। সরকারি জিনিস কর্মজীবন শেষে সরকারকে বুঝিয়ে দিতে হবে। কিন্তু ফাঁক-ফোকর থাকে বলেই সরকারি জিনিসগুলোর বেহাল দশা। এখানে কোনো মনিটরিং সিস্টেমও থাকে না।
কে/জেএইচ
