ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মার্কিন শুল্কের হার আমাদের জন্য বড় সাফল্য: শেখ মোহাম্মদ মারুফ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ নিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘ আলোচনায় মিলেছে বড় সাফল্য। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের ওপর ৩৭ শতাংশ ট্যারিফ আরোপ করা হলেও, সরকারের ধারাবাহিক আলোচনার পর তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। এর সঙ্গে বিদ্যমান ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক যোগ হবে।

বিজিএমইএ-এর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকে কার্যকর শুল্ক হার দাঁড়াচ্ছে ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

শুরুতে শুনতে বেশি মনে হলেও বাস্তবতা হলো অন্য দেশগুলোর তুলনায় মোটেও খারাপ অবস্থানে নেই বাংলাদেশ। যেখানে প্রতিযোগী দেশগুলোকে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের বোঝা সামলাতে হচ্ছে, সেখানে ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশকে সুবিধাজনক বলেই মনে হয়।

সরকার এবং দেশের বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা এ নিয়ে বেশ আশাবাদী। বাংলাদেশের ওপর আরোপিত শুল্ক প্রতিযোগী ভিয়েতনাম, ভারত ও চীনের চেয়ে কম। তারা বলছেন যে, নতুন কার্যকর হওয়া শুল্ক হার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়াতে সাহায্য করবে। কারণ, মার্কিন পোশাক ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতারা তুলনামূলক কম শুল্কের জন্য বাংলাদেশকে বেছে নেবে।

মার্কিন শুল্কের সার্বিক বিষয় নিয়ে আরটিভি’র সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ।

আরটিভি: শুল্কের এই হারকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

শেখ মোহাম্মদ মারুফ: শুল্কের এই হার আমাদের জন্য একটা বড় সাফল্য। তবে অবশ্যই বাড়তি এই শুল্কটা যারা পণ্য রপ্তানি করবে তাদের জন্য সুফল বয়ে আনবে না। তবে এটাও দেখা উচিত এ ট্যাক্সটা শুধু আমরাই দিচ্ছি না, আমাদের প্রতিযোগী বাজারগুলোও সেটা দিচ্ছে। একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া আমাদের প্রতিযোগী যারা যারা আছে সবার জন্য আমাদের থেকেও বেশি ট্যাক্স ধরা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অন্যান্যদের তুলনায় কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাবো।

আরটিভি: যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কিসের পরিপেক্ষিতে এই ট্যাক্সটা কমাতে বাধ্য বা সম্মত হয়েছে?

শেখ মোহাম্মদ মারুফ: সেটা আমাদেরও অজানা। তবে আমি বিশ্বাস করি, সরকার যে দর কষাকষি করেছে সেখানে এমন কোনো কিছু ছিলো না যেটা আমাদের দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি ও অর্থনীতির জন্য সহায়ক না।

আরটিভি: নতুন ট্যাক্স কার্যকরের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের আধিপত্য কতটা থাকবে বলে আপনি মনে করেন?

শেখ মোহাম্মদ মারুফ: যুক্তরাষ্ট্রে বাজারে আমরা দ্বিতীয় অবস্থানে আছি, আমাদের আগে ভিয়েতনামের অবস্থান। ভিয়েতনামের রপ্তানি তালিকায় বেশিরভাগই উচ্চমূল্যের সিনথেটিক পোশাক (যেমন—অ্যাকটিভওয়্যার, স্কিওয়্যার)। যেগুলার ট্যাক্স রেট একটু বেশি। এখানে ভিয়েতনাম বলেন আর ইন্ডিয়া বা বাংলাদেশ, এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রাইজ টা কিছুটা কম। আমার কাছে মনে হয় এই নতুন ট্যাক্স কার্যকর হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের জিনিসের দাম বাড়বে। যেহেতু সবার জন্য একই ট্যাক্স ধরা হয়েছে সেখানে আমরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছি।

আরটিভি: ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তৈরি পোশাকে যুক্তরাষ্ট্রের গড় শুল্ক মিলিয়ে ভারতের কার্যকর শুল্ক হার এখন ৬৬ দশমিক ৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোনো সুবিধা পেতে পারে?

শেখ মোহাম্মদ মারুফ: বর্তমান প্রেক্ষাপটে এসব দেশ থেকে আমরা অনেক বিনিয়োগ আশা করতে পারি। কারণ ট্যাক্স বাড়লে বাজার মূল্যও বেড়ে যায়। গতকাল (১০ আগস্ট) কিছু নিউজ দেখেছি, বেশি ট্যাক্সের কারণে বড় বড় কোম্পানিগুলো ভারতে অর্ডার বাতিল করে বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকছে। তাই সেদিক থেকে আমি বিনিয়োগ আশা করতে পারি, যদি এই শুল্কটা বজায় থাকে।

আরটিভি: পোশাক খাতে বাংলাদেশের একক বাজার যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি অনেক গার্মেন্টস আছে যাদের শতভাগই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার, সেক্ষেত্রে কোনো কারণে অর্ডার বন্ধ হয়ে গেলে ঝুঁকিতে তারা পড়ে যাবে....

শেখ মোহাম্মদ মারুফ: শুল্ক আরোপের পর আমরা মার্কেটে একটা জরিপ করেছি, যারা শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি করে, কেউ ৭৫ শতাংশ কেউ ৫৫ শতাংশ। আমরা এটা দেখতে চেয়েছি যে, একটা লোক যদি যুক্তরাষ্ট্রে শতভাগ পোশাক রপ্তানি করে থাকে তাহলে অর্ডার বন্ধ হয়ে গেলে ঝুঁকিতে পড়বে। আমরা তাদের সাথে বসে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। যাতে তারা ভিন্ন কোনো মার্কেট খুঁজে পায় এবং তা কিভাবে করা সম্ভব সেটা নিয়ে আলোচনা করেছি। কেননা শুধুমাত্র একটি দেশের শুল্কের জন্য আমরা যেনো ক্ষতিগ্রস্ত না হই।

আরটিভি: এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের জন্য কি পরামর্শ দেবেন আপনি?

শেখ মোহাম্মদ মারুফ: যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের ঘটনার পর আমরা সবাইকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি যে, কোনো একটি মার্কেটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা ঠিক না। ৫ বা ১০ শতাংশ ট্যাক্স ম্যানেজ করা যায় কিন্তু ৫০ বা ৬০ শতাংশ হলে সেটা অনেক কঠিন হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা এ ঘটনার পর একটা শিক্ষা পেয়েছেন। তারাও চেষ্টা করবেন যে, আপনাদের এই ব্যবসার জন্য বিভিন্ন মার্কেট খুঁজে বের করতে হবে। যাতে করে একটা মার্কেটের কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশ ও ড. ইউনূস প্রসঙ্গে যা বললেন উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস
‘মুহাম্মদ ইউনূস শুধু নোবেলজয়ী নন, ব্যক্তিগতভাবে উনি অত্যন্ত আনন্দময় ও সদয় একজন মানুষ। আমি তাকে খুব কাছ থেকে চিনি এবং তিনি আমাকে বরাবরই অনুপ্রাণিত করেছেন’ কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে উইকিপিডিয়ার সম্মলেনের ফাঁকে আরটিভির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এভাবেই বলছিলেন উইকিপিডিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস। আরটিভির ডিজিটাল কনটেন্ট ও মোবাইল জার্নালিজম বিভাগের ইনচার্জ দেলোয়ার হোসাইনের সঙ্গে এই আলাপচারিতায় তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইউনূস যেভাবে টানাপড়েনের মধ্যে আছেন, তা দুঃখজনক হলেও তিনি আশাবাদী যে ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল ভবিষ্যতের দিকে এগোবে। সাক্ষাৎকারে তিনি স্মরণ করেন বিগত সময়ে নিজের সংক্ষিপ্ত ঢাকা সফরের কথা, যেখানে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মাঝে ঢাকার কয়েকজন উইকিপিডিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। জিমি ওয়েলস জানান, প্রধান উপদেষ্টা  ড. ইউনূস তাকে আমন্ত্রণ করেছেন, তাই সম্ভব হলে আগামী গ্রীষ্মে পরিবারসহ তিনি আবারও বাংলাদেশে আসতে চান।  বন্ধুত্বপূর্ণ এই প্রসঙ্গ ছাড়াও তিনি উইকিমিডিয়া আন্দোলনের বৈশ্বিক অগ্রগতি, বাংলা উইকিপিডিয়া সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য বিকাশ, এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নবীন উইকিপিডিয়া সম্পাদকদের জন্য উৎসাহমূলক দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। এছাড়া উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং তথ্যবিকৃতির যুগে উইকিপিডিয়ানদের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দেন ওয়েলস। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য সাক্ষাতকারটি তুলে ধরা হলো- আরটিভি: বর্তমান বিশ্বজুড়ে উইকিমিডিয়া আন্দোলনের অগ্রগতিকে আপনি কীভাবে দেখছেন? জিমি ওয়েলস: আমি এখন কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত উইকিম্যানিয়ায় আছি, এবং এখানকার প্রাণোচ্ছল বাংলা উইকিপিডিয়ানদের দেখা পেয়ে দারুণ লাগছে। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ, আপনারা দারুণ দারুণ টি-শার্ট পরেছেন! দেখেন, আমি একজনকে টেনে আনছি...। এই যে দারুণ টি-শার্টগুলো! দারুণ মজা করছি আমরা এখানে। সবাই ব্যস্ত থাকে, প্রচুর সম্পাদনা করে। বিশ্বের নানা প্রান্তে, বড় ভাষা থেকে শুরু করে খুব ছোট ভাষার মানুষরাও উইকিপিডিয়া সম্পাদনা করছে। বাংলার মতো ভাষা হয়তো মাঝামাঝি ধরনের — ভাষাভাষীর সংখ্যা অনেক, তবে উইকিপিডিয়া হিসেবে এখনও তুলনামূলক ছোট। কিন্তু খুব দ্রুত বাড়ছে, এটা দারুণ আশাব্যঞ্জক। আমার আশা, যদি উইকিপিডিয়ার এখন প্রায় ২৫ বছর হয়ে থাকে, তাহলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে আমরা আমাদের সেই স্বপ্ন—প্রতিটি মানুষকে তার নিজের ভাষায় একটি মুক্ত বিশ্বকোষ দেওয়ার—পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে পারব। আরটিভি: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উইকিপিডিয়ানদের জন্য আপনি কী পরামর্শ দেবেন, যারা নতুনভাবে যুক্ত হচ্ছেন ও সম্প্রদায় গড়ে তুলছেন? জিমি ওয়েলস: যে পরামর্শটা আমি সবসময় দিয়ে থাকি, তা হলো—নতুনদের দিকে মনোযোগ দিন। অনেকেই একবার উইকিতে এডিট করে চলে যায়, বা দু-একবার ফিরে আসে। তাদের স্বাগত জানান, স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করান। যদি কেউ একটা ছোট সম্পাদনা করে, তাহলে আপনি গিয়ে তার আলাপ পাতায় লিখুন, ‘আপনার সম্পাদনার জন্য ধন্যবাদ! খুব ভালো লাগল। আপনি অমুক বিষয়ে লিখেছেন, আপনি  কি অমুক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত? তিনি এই বিষয়ে অনেক জানেন। আপনি হয়তো জানেন না তারা কোন দিকে আগ্রহী, কিন্তু এমন আন্তরিক বার্তা পেলে মানুষ উইকিপিডিয়াকে অনেক মানবিকভাবে অনুভব করে। আরটিভি: আপনি একবার বাংলাদেশে এসেছিলেন, আর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আপনার বন্ধু হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের জন্য কিছু স্মৃতি বা ভাবনা শেয়ার করবেন? জিমি ওয়েলস: হ্যাঁ, ইউনূস সাহেবের কথা বললে অনেক কথা মনে পড়ে। উনি শুধু নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নন, ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও দয়ালু মানুষ। উনি আমাকে বহুবার অনুপ্রাণিত করেছেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাকে কিছুটা টেনে আনা হয়েছে, তবে আমি আশাবাদী—উনি বাংলাদেশকে আরও উঁচু স্তরে নিয়ে যেতে পারবেন। আমি বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে মত দিতে চাই না, শুধু বলতে চাই, শান্তিপূর্ণভাবে চিন্তাশীল মানুষ একসাথে কাজ করুক, সেটাই চাই। ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার আশা অনেক।আমি মনে করি, দ্বন্দ্ব নিরসনের পথে আমাদের সবারই শেখার আছে। আজকের ভুল তথ্য, অপপ্রচার আর রাজনৈতিক মেরুকরণের যুগে উইকিপিডিয়ানদের একটা বিশেষ ভূমিকা আছে। আমরা তো শুধু তথ্য নিয়ে কাজ করি, নিরপেক্ষ থাকি। এটা সাংবাদিকদের জন্যও একটা অনুপ্রেরণা হতে পারে—যারা এ বিষয়ে আরও ভালো জানার কথা। আমি যখন বাংলাদেশে এসেছিলাম, একদিক থেকে খুব কষ্টের সফর ছিল। কারণ আমার থাকার সময় ছিল একেবারেই কম ২৪ ঘণ্টারও কম! খুব তাড়াহুড়ো করে এলাম, কয়েকজন উইকিপিডিয়ানকে  দেখলাম, তারপর ফেরত যেতে হলো। আমি খুবই ইচ্ছুক আবার আসতে। ইউনূস সাহেব আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। হয়তো আগামী গ্রীষ্মে পরিবারসহ আসার চেষ্টা করব, এখনো নিশ্চিত না, তবে ইচ্ছা আছে। আরটিভি: উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের স্বীকৃত চ্যাপ্টার হিসেবে, বাংলা উইকিপিডিয়া সম্প্রদায়ের টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সংযুক্তির জন্য আপনি কী পরামর্শ দেবেন? জিমি ওয়েলস: চ্যাপ্টার হিসেবে কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছুই করা যায়—নিজের ভাষা, সংস্কৃতি ও উইকিমিডিয়া আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করা যায়, বিশেষ করে মিডিয়ার সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে। ওরা প্রায়ই ভুলভাবে আমাদের ব্যাখ্যা করে, তাই যতটা সম্ভব ওদের বোঝানো দরকার—আমরা ফেসবুক বা টিকটক না, আমরা অন্যরকম  চিন্তাশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, গ্যালারি, গ্রন্থাগার, আর্কাইভ, জাদুঘর, বিশ্ববিদ্যালয়—এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব তৈরি করা। কারণ সাধারণ উইকিপিডিয়ানদের কেউ সহজে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারে না। আবার কখনো কখনো কেউ করেন, সেটা দারুণ ব্যাপার। কিন্তু চ্যাপ্টার থাকলে এসব অংশীদারিত্ব অনেক সহজ হয়। এই কারণে চ্যাপ্টার থাকা এত গুরুত্বপূর্ণ, এর মাধ্যমে উইকিপিডিয়া আরও দৃঢ় ভিত্তিতে দাঁড়াতে পারে। আরটিভি/এফএ
বাংলাদেশ ও ড. ইউনূস প্রসঙ্গে যা বললেন উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস
আরও পড়ুন
জার্মানিতে ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো ডাকাতি
উদ্যোক্তা এমএ খালেকের কল্পনাতীত উত্থান ও নির্মম পতন
৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
২৫ নারী উদ্যোক্তাকে নার্সারি স্থাপনে জায়গা বরাদ্দ দিলো উত্তর সিটি