ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ইবিতে শিক্ষক রুনা হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ, প্রধান ফটকে তালা

ইবি প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৩ পিএম
ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা : ছবি আরটিভি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ও প্রধান ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে জমায়েত হয়। এ সময় প্রশাসন ভবনের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা। কিছুক্ষণ পরে কর্মকর্তাদের কেউ একজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করার অভিযোগে ক্ষিপ্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটেও তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা। এতে দুপুর ১টার বাস বন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘বিচার বিচার বিচার চাই, ম্যাম হত্যার বিচার চাই’; ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনিদের ফাঁসি চাই’; ‘জাস্টিস জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’; ‘প্রশাসনের অনেক গুণ, দিনদুপুরে মানুষ খুন’; প্রশাসন কী করে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

আরও পড়ুন

শিক্ষার্থীরা বলেন, সাজিদ হত্যার বিচার না হওয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। সাজিদ হত্যার বিচার হলে ফজলু আমাদের ম্যামকে হত্যা করার সাহস করত না। ফজলু ছাড়াও শ্যাম সুন্দর সরকার, হাবিব, বিশ্বজিৎসহ যে কয়জন জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। নইলে আগে সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যা হয়েছে, তারপর আমাদের ম্যাডাম খুন হয়েছে, এরপরে আমি আপনি খুন হবো না তার নিশ্চয়তা কে দিবে?’

এছাড়াও প্রশাসনের কাছে ৪ দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলো হলো- নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সব দোষীর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও একজন সদস্যের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। নির্মাণাধীন হল আসমা সাদিয়া রুনার নামে নামকরণ করতে হবে এবং বিভাগে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।

পরে দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ ও ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা আন্দোলনস্থলে এসে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানালে এবং শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা তালা খুলে দেয়।

ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফজলুর এখনও কথা বলতে না পারায় আমরা তার জবানবন্দি নিতে পারিনি। এছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে ধরতে আমরা একাধিকবার বিভিন্ন লোকেশনে অভিযান চালিয়েও তাদেরকে পাইনি। এছাড়া তাদের বিদেশগমন ঠেকাতে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। র্যাবের মাধ্যমেও তাদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি দ্রুতই তাদের রিপোর্ট দেবেন। বিভাগের শিক্ষক সংকট নিরসনের জন্য খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে এবং রুনার নামে একটি হলের নামকরণের প্রস্তাব আমি নিজেই করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হত্যার পর আইনানুগভাবে যতটুকু প্রাপ্য, তার জন্য শিক্ষিকার পরিবার আবেদন করেছে। আমরা তা পূরণ করব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পর্যায়ে নিয়োগ দেওয়া হলে রুনার স্বামীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা করছে একটি চক্র। বিকাশ, নগদ ও রকেটের এজেন্ট কিংবা স্থানীয় দোকানদারের পরিচয় ব্যবহার করে ফোনে জাল নোট লেনদেনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। পরে থানায় মামলা করার হুমকি দিয়ে চক্রটি দাবি করছে বড় অঙ্কের টাকা।
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মার্কেটিং বিভাগের আয়োজন এবং ‘মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ’ (এমআইবি)-এর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’।
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই বিভাগের তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।  আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মো. আলী চৌধুরী আবিদ ও শাওন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের তানভীর হোসাইন। প্রত্যক্ষদর্শী ও দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভবনটির সামনে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।  এক পক্ষের দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। পরে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা একই জায়গায় কোর্ট তৈরির উদ্যোগ নিলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে মারামারির ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আহত এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় ব্যাডমিন্টন কোর্টের বাঁশ দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। এতে তার নাক ও চোখের নিচে আঘাত লাগে এবং নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।  ওই শিক্ষার্থীর দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরি করেছিলেন। অন্য পক্ষের কোর্ট তৈরির দাবির পক্ষে কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন বা প্রমাণ ছিল না। অন্যদিকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কোর্ট তৈরি করব বলে সেখানে বাঁশ পুঁতে জায়গাটি নির্ধারণ করে রেখেছিলাম। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই অনুষ্ঠানের কারণে সেখানে আরও কিছু বাঁশ পোঁতা হয়। পরে অনুষ্ঠান শেষে তাদের বাঁশের সঙ্গে আমাদের বাঁশও তুলে নেওয়া হয়। এরপর আমাদের নির্ধারিত জায়গায় তারা কোর্ট তৈরি করতে চায়। বিষয়টি জানালে তারা মেনে নেওয়ার কথা বলে।  ‘কিন্তু আজ আমাদের বিভাগের কয়েকজন জুনিয়র কোর্ট তৈরি করতে গেলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারধর করেন। পরে প্রক্টর স্যার এসে বিষয়টি মীমাংসা করলে আমরা চলে যেতে চাই। এ সময় আবারও আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’ এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক এএইচএম খুরশিদ আলম বলেন, এ ঘটনায় মোট তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের নাকে আঘাত লেগেছে, একজনের মাথায় সামান্য ক্ষত হয়েছে এবং অন্যজনের হাতে ব্যথা পেয়েছেন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।  ‘হাতে আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর হাড় ভাঙার আশঙ্কায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক্স-রে করানো হয়। তবে পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক এসেছে। মাথায় আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর ক্ষতেও ব্যান্ডেজ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনজনই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন। তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক স্বপ্নিল রহমান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনায় বসেছেন। এখনো ঘটনার চূড়ান্ত মীমাংসা হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  আরটিভি/এসআর  
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন নারী শিক্ষার্থীরা, ঘটনা কী
রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রশাসনিক ভবনে তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে একপর্যায়ে কক্ষে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত প্রায় আট ঘণ্টা ধরে অধ্যক্ষ কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একটি বিদায় অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি চলায় দুই আবাসিক শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে অডিটোরিয়ামের এক রাতের বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। এসব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অধ্যক্ষের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন তারা। বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীদের ‘দফা এক দাবি এক, প্রিন্সিপালের পদত্যাগ’ এবং ‘প্রিন্সিপালের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পূজার ছুটির আগে কলেজ অডিটোরিয়ামে তিনটি আবাসিক হলের পাঁচ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি রাত ১০টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা থাকলেও শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠান শেষ হতে ভোর ৪টা থেকে ৫টা বেজে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী দুই শিক্ষার্থীর আবাসিক হলের আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ। শিক্ষার্থীদের দাবি, পরে তারা অধ্যক্ষের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক রাতের এসি ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়।  এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানাতে বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান তারা। কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী তাবাসসুম বলেন, দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করেই তারা প্রতিবাদ শুরু করেছেন।  আরটিভি/এসআর  
অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন নারী শিক্ষার্থীরা, ঘটনা কী
বেরোবি কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন 
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বেরোবি কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন 
আরও পড়ুন
বিগত সরকারের প্রতিটি অন্যায়ের বিচার এই মাটিতেই হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
রাগ-ক্ষোভ নয়, রাষ্ট্র চলে যৌক্তিকতার ভিত্তিতে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১ লাখ এতিম শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেওয়া হবে’
বিএনপি রাজনীতি করে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য: সমাজকল্যাণমন্ত্রী