দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সিনেমার দৃশ্যের পুননির্মাণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন শেখ জিসান আহমেদ। সীমিত সামর্থ্য তার মেধাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। অন্তর্জালে তার ভিডিও প্রকাশ করা মাত্রই হুমড়ি খেয়ে পড়েন নেটিজেনরা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের এই শিক্ষার্থী জানান, কোভিডকালীন সময়ে রিমেকের চিন্তা মাথায় আসে। ফেসবুকে স্ক্রল করার সময় চঞ্চল চৌধুরীর ‘আয়নাবাজি’ সিনেমার একটি দৃশ্য দেখে মনে হয়, ‘আমিও যদি এ ধরণের চরিত্রে অভিনয় করতে পারতাম!’ সেখান থেকেই পুননির্মাণের চিন্তা মাথায় আসে। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশের পর ব্যাপক সাড়া পাই।
জিসান বলেন, জনপ্রিয় সিনেমাগুলো মানুষের মধ্যে আবেগ তৈরি করে। যখন দর্শকের আবেগের কোনো সিনেমার পুননির্মাণ করি, সেখানে অনেক দায়িত্ব থাকে। তাদের আবেগটা যাতে বিকৃত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখি।
এখন পর্যন্ত আয়নাবাজি, মনপুরা, জোকার, থ্রি ইডিয়ট, পিকে’সহ বেশকিছু সিনেমার দৃশ্যের পুননির্মাণ করেছেন জিসান। যেসব সিনেমা বানাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়, সেসব সিনেমার দৃশ্যের পুননির্মাণে তেমন কোনো বাজেটই থাকে না এই তরুণের। বন্ধুদের সহায়তায় সেই দৃশ্যগুলোকে পুণরায় রূপদান করেন তারা। প্রতিটি ভিডিও নির্মাণের পেছনে প্রায় চার মাস সময় ব্যয় করতে হয় তাদের।
নিজেকে একজন অভিনেতা হিসেবেই দেখতে চান জিসান। অভিনয়কে ঘিরেই তার ধ্যান-জ্ঞান। স্বপ্নবাজ এই তরুণের প্রত্যাশা, তাদেরকে কাজের সুযোগ দেওয়া হোক। নিজেদের অভিনয় দক্ষতা প্রমাণে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তারা।