ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

স্বজনদের ফেলে যাওয়া ম\'রদেহ দাফনে এগিয়ে আসেন ট্রান্সজেন্ডার নারী সঞ্জীবনী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ মে ২০২১, ০৮:৪৪ পিএম
করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দাফন, সৎকারে সঞ্জীবনী ও তার দলের সদস্যরা।। ফাইল ছবি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে যখন সন্তান ফেলে যেতো বাবা-মায়ের মরদেহ। ঠিক সে সময় থেকে ওই লাশগুলোকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় শেষ বিদায় জানাতে নিজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটিদল সঙ্গে করে মাঠে নেমে পড়েছিলেন সঞ্জীবনী। তিনি মূলত একজন ট্রান্সজেন্ডার বা লিঙ্গরূপান্তরিত নারী। এই সঞ্জীবনী মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিষ্টান - এই চার ধর্মের অনুসারীদের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় কী কী মানতে হয়, তা শিখেছেন। ধর্মীয় পরিচয় অনুযায়ী কখনো মরদেহ নিয়ে চলে যাচ্ছেন কবরস্থানে, আবার কখনো চলে যাচ্ছেন শ্মশান কিংবা গ্রেইভইয়ার্ডে (খ্রিস্টানদের কবর)।

তিনি ২০২০ সালের মে মাস থেকে প্রশংসনীয় কর্মে যুক্ত রয়েছেন। ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তির সৎকারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি ও তাদের সহযোগীরা। মৃতদের স্বজন থাকলে তাদের সঙ্গে কথা বলাসহ পুরো কাজের সমন্বয় এই সঞ্জীবনীই করছেন। দলের সদস্য হিসেবে লাশের গোসল, দাফনসহ অন্যান্য কাজেও হাত লাগাতে হয় এ কাজে যুক্ত থাকা ট্রান্সজেন্ডার মানুষটাকে।

সঞ্জীবনীর পরিচয়:

সঞ্জীবনীর আরেক নাম সজীব সতেজ। এরও আগে তার নাম ছিল আশিকুল ইসলাম। শারিরীক ভিন্নতার কারণে জীবনের বেশির ভাগ সময়ই মানুষের কাছ থেকে বিরূপ আচরণ পেয়েছেন এই মানুষটা। তবে, মৃতদের কবর ও সৎকারের কাজে যুক্ত হওয়ায় অনেক সম্মান পাচ্ছেন তিনি। কেবল তা’ই নয়, মানুষের ভালোবাসাতেও সিক্ত হচ্ছে তিনি।

ছোটবেলা থেকেই নাচ শেখেন টাঙ্গাইলের সন্তান সঞ্জীবনী। পরে তিনি কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন পরিচালিত বান্দরবানের লামায় স্কুলের নাচের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে নিজে আগ্রহ করে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ সৎকারে এগিয়ে আসেন তিনি। চট্টগ্রামে কিছুদিন কাজ করার পর থেকে তিনি ঢাকায় কাজ করছেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ক্যাম্পে থেকে কাজ করছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে কোথায় করোনায় রোগী মারা গেছেন, সে তথ্য পেয়ে সঞ্জীবনী তার দলের সদস্যদের নিয়ে হাসপাতালে যান। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরুতে মৃত ব্যক্তির আত্মীয়স্বজন লাশের কাছে যেতে ভয় পেতেন। তাই লাশের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার পুরো কাজটিই করতে হতো সঞ্জীবনী ও তার দলের সদস্যদের।

পড়াশোনা ও কর্মজীবন:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স করে তিনি কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে নাচের শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। নাচের শিক্ষক হিসেবে যে বেতন পেতেন, এখনও তা পাচ্ছেন তিনি। আর মরদেহ দাফন-কাফনের কাজটি করছেন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে।

সঞ্জীবনী নিজেকে নারী মনে করলেও বর্তমানে তিনি পুরুষ দলের দলনেতা হিসেবে কাজ করছেন। পুরুষদের মরদেহ দাফন-কাফনে সহায়তা করছেন। তিনি বলেন, ‘এ দলে যারা কাজ করেন, তাদের জন্য নির্দিষ্ট ড্রেস কোড আছে। এ কাজ করতে গিয়ে মৃতের স্বজন বা অন্য মানুষদের কাছ থেকে কোনো বিরূপ মন্তব্য শুনতে হচ্ছে না। কাজ করতে তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতাও নেই। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কর্মীদের সুস্থ থাকার বিষয়টিতে সর্বোচ্চ নজর দেওয়া হচ্ছে।’

সঞ্জীবনী আরও বলেন, ‘কখন কে মারা যাবেন বা কখন ডাক পড়বে, তার কোনো ঠিক নেই। তাই সেই অর্থে আমার কোনো অবসর নেই। সব সময়ই প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হয়। সুরক্ষিত পোশাক পিপিসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কাজগুলো করতে হয় আমাদের।’

নাজেহাল হতে হতো তাকে:

সঞ্জীবনী নিজেকে নারী মনে করলেও বর্তমানে তিনি পুরুষ দলের দলনেতা হিসেবে কাজ করছেন। পুরুষদের লাশ দাফন-কাফনে সহায়তা করছেন। তিনি বলেন, ‘এ দলে যারা কাজ করেন, তাদের জন্য নির্দিষ্ট ড্রেস কোড আছে। এ কাজ করতে গিয়ে মৃতের স্বজন বা অন্য মানুষদের কাছ থেকে কোনো বিরূপ মন্তব্য শুনতে হচ্ছে না। কাজ করতে তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতাও নেই। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কর্মীদের সুস্থ থাকার বিষয়টিতে সর্বোচ্চ নজর দেওয়া হচ্ছে।’

সঞ্জীবনী আরও বলেন, ‘এইচএসসি পড়া পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গেই ছিলাম। কিন্তু মানুষ যে শুধু আমার সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করত তা তো নয়, সুযোগ পেলেই আমার পরিবারের সদস্যদের খারাপ কথা শুনিয়ে দিত। আমাকে তারা নানাভাবে নাজেহাল করত। একসময় বাধ্য হয়ে প্রায় ৮ বছর আগে বাড়ি ছাড়ি আমি। একমাত্র বোন এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। আমি পড়াশোনার জন্য আর্থিক সহায়তাও পেয়েছি পরিবারের কাছ থেকে। এখন মানুষের নাজেহালের ভয়ে বাড়ি ফিরতে পারছি না। কারও সঙ্গে দেখাও করতে পারছি না।’

যে কারণে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন সঞ্জীবনী:

সঞ্জীবনী লাশ দাফন-কাফনের যে কাজটি করার সুযোগ পেয়েছেন, তাকে সৌভাগ্য হিসেবেই মনে করছেন। ট্রান্সজেন্ডার নারী হয়েও তিনি যে এক বছর ধরে কাজটি করতে পারছেন, তার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত কতটি লাশের শেষ বিদায়ে সহায়তা করতে পারলাম, সে সংখ্যা বা হিসাবটি আমার কাছে আছে। তবে আমার কাছে সংখ্যার চেয়েও কাজটি সব থেকে বড়। মমতার স্পর্শে শেষ বিদায় দিতে চাই সবাইকে।’

কেএফ

আরটিভি’র সর্বশেষ নিউজ পেতে ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন...

https://www.facebook.com/rtvnews247

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা নিবন্ধনের নির্দেশ
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।  শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) মাউশি এ সংক্রান্ত নোটিশ দিয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধনের তথ্যের ভিত্তিতে সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেসব ছাত্র-ছাত্রীর জন্মনিবন্ধন নেই, আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার বিষয়টি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা নিশ্চিত করবেন। ৭ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে পারবে, এমন ছাত্র-ছাত্রীর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকা সিভিল সার্জনের অফিসে পাঠাতে বলা হয়েছে জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের। ৮ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা নিশ্চিত করবেন। সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। এফএ
শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা নিবন্ধনের নির্দেশ
দেশে করোনায় শনাক্ত বেড়েছে 
করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫১২ জন। এর আগে গতকাল (বৃহস্পতিবার) সাতজনের মৃত্যু ও ৫০৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৬৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়, শনাক্তের হার ২ দশমিক ৭৪। এ পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৫৩৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৭২ জনের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ১০১ জন। উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এনএইচ/টিআই
দেশে করোনায় শনাক্ত বেড়েছে 
দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত আরও ৩ জন
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন আরও তিনজন। এ নিয়ে দেশে মোট ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১০ জনে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জার (জিআইএসএআইডি) ওয়েবসাইটে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জিআইএসএআইডি সূত্র বলছে, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে একজন পুরুষ ও দুজন নারী রয়েছেন। পুরুষের বয়স ৬৫ এবং ২ নারীর বয়স ৪৯ ও ৬৫ বছর। এমনকি তারা সবাই ঢাকার বাসিন্দা। গত মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে একজন ওমিক্রনে আক্রান্তের পর রাতে আরও তিনজনের শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে ১১ ডিসেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ে ফেরত দুজন নারী ক্রিকেটারের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়। এমএন/টিআই
দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত আরও ৩ জন
২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১০৫ জন, আক্রান্ত ২৮৪২৯
২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৫ জন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন।   এ ছাড়া রাজধানীসহ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতির তথ্যমতে, বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থাকা মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৫৯ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩১ জন এবং অন্যান্য বিভাগের হাসপাতালে ২৮ জন। নতুন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া চারজনের মধ্যে ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ঢাকার বাইরের হাসপাতালের কেউ ভর্তি হননি। এনএইচ/টিআই
২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১০৫ জন, আক্রান্ত ২৮৪২৯
বিশ্বে আরও প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মৃত্যু
করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে আরও ৬ হাজার ৪৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৬১০ জন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।  ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ কোটি ৬৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫০ জন। এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৩৩২ জনের।  এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪৫৮ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ৩২৯ জন। রাশিয়ায় মারা গেছেন ৯২৬ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ২১ হাজার ৭৩ জন। যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ২১৩ জন এবং মারা গেছেন ৩৩২ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৬ হাজার ২৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১৮০ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৮২০ জন এবং মারা গেছেন ৩৭৯ জন। ইউক্রেনে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৯৩০ জন এবং মারা গেছেন ২৭৮ জন। ব্রাজিলে মারা গেছেন ১৫৪ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ১৩ হাজার ৪০৫ জন।  এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে ৪৫ জন, তুরস্কে ১৩৯ জন, পোল্যান্ডে ৭০৯ জন, ইতালিতে ১৫৬ জন, মেক্সিকোতে ১৮৮ জন এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় ১২৬ জন মারা গেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি। আরএ/
বিশ্বে আরও প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মৃত্যু
আরও পড়ুন
দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত আরও ৩ জন
বিশ্বে আরও প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মৃত্যু
ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার ৮ লক্ষণ 
করোনার প্রকোপ : মুম্বাইয়ে ১৪৪ ধারা জারি