দেশে হামের প্রকোপ না কমে উল্টো হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে হামে আক্রান্ত হওয়ার পর শিশুদের নতুন করে অ্যাডিনো ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টি চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই দ্বিমুখী সংক্রমণের ফলে শিশুরা দ্রুত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে, যেখানে প্রচলিত কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না।
সাইপান, নামটা ছোট। কিন্তু ওর লড়াইটা পাহাড়সম। এক মাস ধরে নিউমোনিয়ায় ভুগে সেরে না উঠতেই আবারও ২০ এপ্রিল থেকে রাজধানীর শিশু হাসপাতালের হামের সঙ্গে লড়াই করছে আট মাসের শিশুটি। শ্বাসকষ্ট বাড়ায় দেওয়া হয়েছে অক্সিজেন।
সাইপান একা নয়, দেশজুড়েই চিত্রটা এখনও নাজুক। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর চাপ। করিডোর থেকে ওয়ার্ড—তিল ধারণের জায়গা নেই।
তবে, আশঙ্কার বিষয়, আগে থেকে যেসব শিশুদের বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা রয়েছে সেসব শিশুরা হামে আক্রান্তের পর নতুন করে অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে, যা রূপ নিচ্ছে নিউমোনিয়ায়। আর এতে কাজ করে না কোনো হাই ডোজ অ্যান্টিবায়োটিক, যার প্রভাব হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি।
চিকিৎসকরা বলছেন, অ্যাডিনো ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। একমাত্র করণীয় হচ্ছে, আইসোলেশন।
হামের পর এর দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ঠেকাতে শিশুদের পর্যাপ্ত যত্ন ও পুষ্টি নিশ্চিতের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আরটিভি/এমএ



