চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং রোগীদের সুরক্ষায় নতুন আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন এই আইনে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় বিএমএ ভবনের শহীদ ড. শামসুল আলম খান মিলন সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি। ‘চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী ও প্রতিষ্ঠান সুরক্ষা এবং রোগী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন’ বিষয়ে স্বাস্থ্যখাতের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এ মতবিনিময়ের উদ্যোগ নেয় ড্যাব।
সভায় চিকিৎসক নেতারা বলেন, বিভিন্ন সময় রোগীর স্বজন ও আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর কাছে হয়রানির শিকার হতে হয় চিকিৎসকদের। তাই নতুন আইনে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দাবি জানান তারা।
এসময় চিকিৎসক, রোগী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আইনের কথা উল্লেখ করে ড্যাব সভাপতি ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, আইনে সব পক্ষের সুরক্ষায় ভারসাম্য রাখতে হবে।
তিনি বলেন, রোগীর সুরক্ষার জন্য আলাদা আইনের দরকার নেই। কারণ, বিএমডিসি এর জন্য কাজ করছে এবং বিএমডিসি নতুন যে আইনের নীতিমালা প্রণয়ন করছে, সেখানে রোগীদের সুরক্ষার জন্য বিস্ময়কর ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে চিকিৎসক যদি ভুলবশতঃ রোগীর কোনও ক্ষতি করে, তার জন্য আইনগত ব্যবস্থা আছে। এতে করে চিকিৎসকের ওপর কোনও হবে না।
ড্যাব সভাপতি বলেন, ক্লিনিক, ল্যাবরেটরিজ এবং অন্যান্য যেসব বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলো ১৯৮২ এর যে আইন, সেটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এটা অপ্রতুল; এটাকে আমাদের আপগ্রেড করতে হবে। এবং সেখানে আমাদের যারা কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চিকিৎসক আছেন, তাদের অধিকারকে প্রধান্য দিতে হবে, যেন তারা তাদের বেতন ও বিভিন্ন পাওনাদি ঠিকমতো পান।
ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ড্যাব এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, স্বাস্থ্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন চিকিৎসক সোসাইটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও পরিচালকবৃন্দ এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী নেতৃবৃন্দ।
আরটিভি/এসএইচএম




