ড্রোন উড়িয়ে মিয়ানমারের পার্লামেন্টের ছবি তোলায় টার্কিশ রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন কর্পোরেশনের(টিআরটি)দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। তাদের সঙ্গে থাকা দোভাষী ও চালকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় বিবিসি এই প্রকাশ করে।
রোহিঙ্গা সঙ্কটকে ঘিরে যখন তুরস্ক ও মিয়ানমারের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, ঠিক তখন ওই দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হলো।
রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে গত দুইমাসে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।
গত মাসে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখতে এসেছিলেন তুরস্কের ফাস্ট লেডি এমিন এরদোয়ান। তিনি বলেন, মিয়ানমারে জাতিগত সংঘাতের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে তুরস্কের সরকার।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেয়ারও ঘোষণা দেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে চালানো সহিংসতাকে গণহত্যার সমান বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু মিয়ানমার সরকার বলছে, তারা জঙ্গি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
কে/এমকে