নূহ নবীর নৌকা বানিয়ে প্রতিদিন জরিমানা গুণতে হচ্ছে ৬০ হাজার টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

রোববার, ০৬ জুন ২০২১ , ০১:০৮ পিএম


নূহ নবীর নৌকা বানিয়ে দৈনিক জরিমানা গুণতে হচ্ছে ৬০ হাজার টাকা
যুক্তরাজ্যের ইপসউইচে নোঙ্গর করে রাখা নূহ নবীর নৌকার আদলে তৈরি নৌকা - সংগৃহীত ছবি

নূহ (আঃ)-এর নৌকা ও মহাপ্লাবনের কাহিনী শোনেনি এমন মানুষ খুব একটা পাওয়া যাবে না। পবিত্র কোরআন ও বাইবেল অনুসারে, অবিশ্বাসীদের নির্মূল করতে পৃথিবীতে মহাপ্লাবন সৃষ্টি করেন সর্বশক্তিমান আল্লাহ।

সে সময় মহান আল্লাহর আদেশে বিশাল একটি নৌকা তৈরি করেন নূহ (আঃ)। তারপর সেই নৌকায় বিশ্বাসী মানুষ ও এক জোড়া করে অন্য প্রাণীদের আশ্রয় দেয়া হয়, যাতে করে তারা মহাপ্লাবনের হাত থেকে বেঁচে যায়। বলা হয়, নূহ (আঃ)-এর নৌকা ছিল পৃথিবীর প্রথম জলযান।

এবার বাইবেলে বর্ণিত নূহ নবীর নৌকার আদলে নৌকা তৈরি করে বিপাকে পড়েছে নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাজ্যের ইপসউইচে নোঙ্গর করা নৌকাটিকে এখন প্রতিদিন ৫০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৯ হাজার ৯৩০ টাকা) করে জরিমানা গুণতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, নৌকাটি সঠিক পেপারওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়নি। তাই সেটি সাগরে চলাচলের উপযোগী নয়।

২৩০ ফুট লম্বা ভাসমান এই জাদুঘরটি বাইবেলের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের উত্তর সাগর পাড়ি দিয়ে ২০১৯ সালের নভেম্বরে এটি যুক্তরাজ্যে পৌঁছে। প্রতিদিন ১৫ হাজারের বেশি মানুষ নৌকাটি দেখতে আসতো।

গত বছরের মার্চে সেটি যুক্তরাজ্য থেকে বিদায়ের কথা ছিল। তবে দেশটির উপকূলীয় ও কোস্টগার্ড সংস্থা (এমসিএ) এর যাত্রা বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে জাহাজটি সাগরে চলাচলের উপযোগী নয়।

দীর্ঘদিন আটকে থাকায় গত জানুয়ারি পর্যন্ত জাহাজটির ১২ হাজার ১৩২ পাউন্ড খরচ গুনতে হয়েছে। এরপর গত এপ্রিল থেকে আবার দৈনিক হিসেবে ৫০০ পাউন্ড করে জরিমানা গুণতে হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে এমসিএ এবং ডাচ অবকাঠামো ও পানি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগ আলোচনায় বসেছে। তারা জাহাজটিকে মুক্তি দেয়ার উপায় খুঁজছেন বলে জানা গেছে। সূত্র : গার্ডিয়ান

টিএস

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission