আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিন স্থগিত

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ০২ জানুয়ারি ২০১৮ , ১১:৩৬ এএম


আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিন স্থগিত

অর্থপাচারের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদসহ তিনজনের স্থগিত দেয়া জামিন চেম্বার আদালতের আপিল বিভাগে বহাল রয়েছে। পরবর্তী আদেশ ৮ জানুয়ারি।

সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ শেষে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন আপিল বিভাগে তোলা হলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারকের বেঞ্চ নতুন এ দিন ধার্য করেন।  

আদালতে আপন জুয়েলার্সের মালিকদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

গেলো ১৮ ডিসেম্বর মুদ্রা পাচারসহ নানা অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া তিন মামলায় দিলদার আহমেদসহ আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের দেয়া হাইকোর্টের জামিনের আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

এর আগে গেলো ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি, রমনা ও উত্তরা থানায় শুল্ক গোয়েন্দার করা পাঁচ মামলার মধ্যে তিন মামলায় দিলদার আহমেদসহ আপন জুয়েলার্সের মালিকদের জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে বাকি দুই মামলা স্ট্যান্ডওভার রাখা হয়েছে।

ওইদিন আদেশের পর আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, এখন গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদের জামিনে মুক্তি পেতে আইনগত বাধা নেই। তবে দিলদার আহমেদের বিরুদ্ধে  আরো দুই মামলা থাকায় তিনি আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না।

গেলো ২২ নভেম্বর আপন জুয়েলার্সের মালিকদের কেন জামিন দেয়া হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে নিয়ে দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গেলো মে মাসে গ্রেপ্তার হন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদারের ছেলে সাফাত আহমেদ।

বর্তমানে কারাগারে থাকা সাফাতসহ তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। এরপরই আপন জুয়েলার্সের ‘অবৈধ লেনদেন’ এর খোঁজে তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

মে মাসের শেষ দিকে আপন জুয়েলার্সের বিভিন্ন শোরুম থেকে ১৫ দশমিক ৩ মণ সোনা এবং ৭ হাজার ৩৬৯টি হীরার অলঙ্কার জব্দ করে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠায় শুল্ক গোয়েন্দা।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে গেলো ১২ আগস্ট আপন জুয়েলার্সের মালিক তিন ভাই দিলদার আহমেদ, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদের বিরুদ্ধে মুদ্রা পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে গুলশান, ধানমন্ডি, রমনা ও উত্তরা থানায় পাঁচটি মামলা করা হয়।

দুই মামলায় গেলো ২২ আগস্ট তিন ভাই হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। এরপর বিচারিক আদালতে হাজিরা না দেয়ায় গেলো ২৩ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরদিন আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।

এমসি/জেবি

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission