চলতি জানুয়ারি মাসের ২১ তারিখ থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদেরকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার আমেরিকান ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
বার্তায় জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (বি১ বা বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদেরকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার আমেরিকান ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। তবে, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১ বা বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
মার্কিন দূতাবাস বার্তায় আরও জানায়, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে। সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে আরোপিত কড়াকড়ি আরও জোরালো করতে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ওপর ভিসা বন্ড আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাম্প প্রশাসন। গত বছরের আগস্টে প্রথম ভিসা বন্ডের শর্তযুক্ত দেশের তালিকায় ছয়টি দেশের নাম যুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে বছরের শেষের দিকে তারা আরও সাতটি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করে। এরপর সবশেষ ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশের নাম যোগ হয় এ তালিকায়। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত এই ভিসা বন্ডের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসেবে)।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ৩৮টি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই ভিসা বন্ডের শর্তযুক্ত হয়েছে। এদের বেশির ভাগই আফ্রিকার দেশ। তবে, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশও রয়েছে। নতুন নিয়মের ফলে অনেক নাগরিকের জন্যই এখন মার্কিন ভিসা পাওয়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে।
আরটিভি/এসএইচএম




