ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

নির্বাচনে মাঠে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য : ইসি সানাউল্লাহ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৪ পিএম
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ছবি সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ এবং নিরপেক্ষ করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য।

নির্বাচন কমিশনার জানান, আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবারই প্রথমবারের মতো নির্বাচনি তদারকিতে ইউএভি (আনম্যান অ্যারিয়াল ভেহিকল) বা ড্রোন এবং বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের শরীরে প্রায় ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে, যার একটি বড় অংশ সরাসরি কন্ট্রোল রুমে ভিডিও ফিড পাঠাবে।

এছাড়া ৯০ শতাংশের বেশি ভোটকেন্দ্রে ইতোমধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ২৯৯টি আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।

আরও পড়ুন

এবারের নির্বাচনে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসারসহ মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা ভোটগ্রহণের মূল দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

সানাউল্লাহ বলেন, সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ব্যালট একই সঙ্গে গণনা করা হবে। সাদা রঙের ব্যালট সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং গোলাপি রঙের ব্যালট গণভোটের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে ফলাফল ঘোষণার পর তা রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে আসবে এবং কমিশন মঞ্চ থেকে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হবে।

নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়ে ইসি কমিশনার জানান, মোট ৪২ হাজার ৬৫৯টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।

এছাড়া অবৈধ অস্ত্র ও অর্থের প্রভাব রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কমিশন। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ৮৫০টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং বড় অঙ্কের সন্দেহজনক লেনদেন রোধে বিএফআইইউ-কে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় ভোটারসহ কেউই গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেস) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে সাংবাদিকরা নির্ধারিত নীতিমালা মেনে কেন্দ্রের ভেতরে পেশাগত প্রয়োজনে মোবাইল ব্যবহার করতে পারলেও গোপন কক্ষের কোনো দৃশ্য ধারণ বা সেখান থেকে সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করতে পারবেন না। ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম বা প্রতীক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সংশোধিত নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সানাউল্লাহ দেশবাসীকে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন, কোনো কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টার পরেও যদি ভোটারের উপস্থিতি থাকে, তবে নিয়মানুযায়ী তাদের প্রত্যেকের ভোট গ্রহণ করা হবে। একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিতর্কমুক্ত নির্বাচন উপহার দেওয়াই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস / বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
নয়াপল্টনে ঘোড়ার গাড়ি ও হাতির উপস্থিতি উৎসুক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন শোভাযাত্রায় বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।
বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
‘সিপাহি-জনতা ভাই ভাই, জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘সিপাহি বিপ্লব জিন্দাবাদ, জেনারেল জিয়া জিন্দাবাদ’এমন নানা স্লোগানে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর উত্তাল হয়ে উঠেছিল ঢাকা সেনানিবাস ও রাজধানীর রাজপথ। ব্যারাক ছেড়ে রাজপথে নেমে আসেন সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিকেরা।
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টার একটু আগে সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা শুরুর কথা রয়েছে। সমাবেশ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এর আগে সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলো থেকে মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসছেন নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে রয়েছে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তুলেছেন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও আশপাশের এলাকা। শোভাযাত্রায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। কর্মসূচি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন দলের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকরা। পাশাপাশি অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে ঢাকা ছাড়াও আজ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে শোভাযাত্রা করবে বিএনপি। ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে একই কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে। আরটিভি/এসকে
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস  / শোভাযাত্রার জন্য নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
শোভাযাত্রার জন্য নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে  রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
আরও পড়ুন
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত, পাস হলো ৬ বিল
বিএনপির মনোনয়ন পাননি বেবি নাজনিন
বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের ফরম নিলেন ফারাজানা সিঁথি
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার