আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভোটার বিন্যাসে ব্যাপক বৈচিত্র্য ও বড় ধরণের ব্যবধান রয়েছে। বিশেষ করে বড় ও ছোট আসনের মধ্যে ভোটারের সংখ্যার পার্থক্য এবং লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যান নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভোটার সংখ্যার বিচারে দেশের বৃহত্তম নির্বাচনি এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে গাজীপুর-২ আসন। এই একক আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।
অন্যদিকে, দেশের সবচেয়ে ছোট নির্বাচনি এলাকা হিসেবে নাম এসেছে ঝালকাঠি-১ আসনের। সেখানে মোট ভোটারের সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন।
অর্থাৎ, গাজীপুর-২ আসনের ভোটার সংখ্যা ঝালকাঠি-১ আসনের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। এই বিশাল ব্যবধানের কারণে বড় আসনগুলোতে ভোট গ্রহণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিশনকে বিশেষ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের ৪২ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। একই দিনে নাগরিকরা সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সাদা-কালো ব্যালটে এবং গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালটে তাদের রায় দেবেন।
স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন ইতিমধ্যে প্রতিটি আসনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করেছে। ভোটারদের সুবিধার্থে ডিজিটাল অ্যাপ ও হটলাইনের মাধ্যমে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার ব্যবস্থাও চালু রাখা হয়েছে।
আরটিভি/এআর





