গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের প্রথম কর্মদিবসেই ব্যস্ততম দিন পার করতে যাচ্ছেন তারেক রহমান।
আগামীকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি তার দাপ্তরিক কার্যক্রমের সূচনা করবেন। একই দিন বিকেলে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে তিনি প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে বৈঠকে বসবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর আজ মঙ্গলবার বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। এবারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল আক্ষরিক অর্থেই বিশ্বনেতাদের এক মিলনমেলা। চীন, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্কসহ অন্তত ১৩টি দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিশেষ অতিথি হিসেবে নয়াদিল্লির প্রতিনিধিত্ব করেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ তিন বাহিনীর প্রধান এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যবৃন্দ। কয়েক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথির উপস্থিতিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এক উৎসবমুখর রূপ ধারণ করেছিল।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি। জোটের শরিকদের নিয়ে তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২টি। দীর্ঘ কয়েক দশকের ঐতিহ্য ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবনের উন্মুক্ত চত্বরে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন ছিল এবারের অন্যতম বড় চমক।
আরটিভি/এআর




