ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এক বছরে বাংলাদেশিদের জন্য ১৪ লাখ ভিসা ইস্যু করেছে সৌদি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশিদের জন্য সাড়ে সাত লাখ কাজের ভিসাসহ সর্বমোট ১৪ লাখ ভিসা ইস্যু করে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছে সৌদি সরকার।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া এই তথ্য জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুসংহত করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রাষ্ট্রদূতকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে সৌদি আরবকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বিশ্বস্ত ও দীর্ঘদিনের অকৃত্রিম অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন।

আরও পড়ুন

তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন, ১৯৭৬ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কালেই সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জিয়া ১৯৭৭ সালে সৌদি আরবে একটি ঐতিহাসিক সফর করেছিলেন, যা মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও দুই দেশের ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে অনবদ্য ভূমিকা রেখেছিল। রাষ্ট্রদূতও জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বীকার করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বিশেষ করে সৌদি আরবে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, উভয় দেশের ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং অন্যান্য জরুরি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সৌদি আরবের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এই ধারা আরও ত্বরান্বিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সৌদি আরবের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিশেষ অনুরোধে ১৯৭৯ সালে প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় সৌদি আরব ব্যাপক সহায়তা করেছিল। বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য সৌদি আরবের নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার প্রশংসা করে তিনি মিয়ানমারে তাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য সৌদি সরকারের সক্রিয় সমর্থন কামনা করেন।

জবাবে রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করে বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তৃত অংশীদারিত্বের দিকে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানবিকতার তাগিদেই বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই সংকটের ভার একা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। সংকটের উৎপত্তি যেহেতু মিয়ানমারে, এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সংকটের স্থায়ী সমাধান, বিচার ও জবাবদিহি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়। তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন। ২০১৭ সালে সহিংসতার পর সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু মিয়ানমারে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় নতুন করে মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৬ হাজার লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে শিশুদের মিয়ানমারের পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে তারা রাখাইন রাজ্যে পুনঃএকীভূত হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই পরিস্থিতির কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা মানবপাচার, মাদকপাচার, অবৈধ অভিবাসন ও অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তারেক রহমান বলেন, মানবিক সহায়তার প্রয়োজন বাড়লেও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমছে। ২০২৫ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় ৯৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তা চাওয়া হলেও ২০২৬ সালের জন্য সেই আবেদন কমে প্রায় ৭১০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তার মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকা উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার বিকল্প হতে পারে না। অনির্দিষ্টকাল ধরে শুধু বাংলাদেশকেই এ দায়িত্ব বহন করতে বলা যায় না। তিনি জানান, রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি এখনো গভীরভাবে উদ্বেগজনক। রোহিঙ্গারা জোরপূর্বক নিয়োগ, নির্বিচারে আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রমসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাহীনতার মুখে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মি- উভয়ের বিরুদ্ধেই গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগের তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং মানবপাচার, মাদকপাচার ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ চায় না রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হলে তাদের নিজভূমিতে প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আরটিভি/এআর 
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। সংকটের মূল কারণ ও তার সমাধানে জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইন বৈঠকে পাঁচটি প্রস্তাব রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ প্রস্তাবনা তুলেন তিনি। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রতিশ্রুতি থেকে কার্যকর পদক্ষেপে যাওয়ার সময় এসেছে। দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ব্যয় প্রতিদিনই বাড়ছে-শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও। বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ এখন বিপুল। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে। এর মধ্যে রয়েছে মানবপাচার, অবৈধভাবে অভিবাসী পাচার, মাদকপাচার এবং অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধ। কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন। একটি দেশে অমীমাংসিত থেকে যাওয়া সংকট পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে। এসময় রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা থেকে এই বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটাতে পাঁচটি ক্ষেত্রে কিছু জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।  তার প্রস্তাবনাগুলো হলো:— প্রথমত, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও অন্যান্য রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা করতে হবে এবং তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে, যা প্রত্যাবাসনের অনুকূল। দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে তাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আস্থা ফিরে পান। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। একইভাবে, আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা করতে হবে। তাদের উদার আতিথেয়তার কারণে তাদের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়। চতুর্থত, টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টায় গাম্বিয়ার নেতৃত্বের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও স্বীকার করি, যেখানে ব্যক্তিগত অপরাধের দায় নির্ধারণের পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিচার ও তদন্তব্যবস্থাও কাজ করছে। আন্তর্জাতিক বিচারিক ও তদন্তব্যবস্থাগুলোকে অব্যাহত সহায়তা দিতে হবে। গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। পঞ্চমত, এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়া মাদকভিত্তিক অর্থনীতি, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্র এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। আরটিভি/এসআর  
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-প্রধান এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বখ্যাত দানশীল সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক সুজম্যান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
আরও পড়ুন
হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাজ্যের
১৪ বছর ধরে ছেলের ছবি বুকে জড়িয়ে অপেক্ষায় মা
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৭ জনসহ নিহত ৯
সৌদির জ্বালানি স্থাপনায় হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা