বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে এক মাসের মধ্যে দশমবারের মতো ভূকম্পন আঘাত হেনেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। তবে এবারের ভূমিকম্পের সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো এর উৎপত্তিস্থল। সাধারণত বড় ভূমিকম্পের কেন্দ্র প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকলেও, এবার কম্পনের মূল উৎস ছিল খোদ বাংলাদেশের ভেতরেই।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্যমতে, এবারের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে আশাসুনি উপজেলায় এবং ভারতের গোসাবা থেকে ৪৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের টাকি থেকে ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এই সূত্রটিও নিশ্চিত করেছে যে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩ এবং গভীরতা ছিল ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই উপকূলীয় জনপদ আগে ভূমিকম্পের জন্য ততটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা না হলেও, সরাসরি জনবসতির এত কাছে ভূমিকম্পের কেন্দ্র থাকাটা বড় ধরনের বিপদের সংকেত দিচ্ছে। এর ফলে কেবল ঢাকা নয়, সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর ও বাগেরহাটের মতো জেলাগুলোতে কম্পন ছিল অত্যন্ত তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী।
আরটিভি/এআর




