পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির আমেজ এখনও দেশজুড়ে বিদ্যমান। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেই এখনও গ্রামে অবস্থান করছেন, ফেরেননি কর্মস্থলে। তবে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে আসীন হওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ব্যক্তিগত অবকাশের চেয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঈদের ছুটি শেষ হতেই পূর্ণ উদ্যমে কাজে ফিরেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসেই টানা প্রায় ১১ ঘণ্টা দাপ্তরিক কাজ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১ মিনিটে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিরতিহীনভাবে দিনভর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সম্পাদন শেষে রাত ৭টা ৫৩ মিনিটে তিনি অফিস ত্যাগ করেন। দীর্ঘ এই কর্মব্যস্ত সময়জুড়ে দেশের অর্থনীতি, জনশক্তি এবং নাগরিক সুবিধার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো ছিল তার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, অফিসে এসেই দিনের শুরুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এরপর দুপুরে প্রবাসী কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। বিদেশে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণ এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির বিষয়ে সেখানে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।
আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, বিকেলের অধিবেশনে ঢাকার ক্রমবর্ধমান যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা এবং আইন প্রয়োগে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া বিকেলের পর থেকে বিভিন্ন কূটনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ, দাপ্তরিক ফাইল পর্যালোচনা এবং প্রশাসনিক নীতি নির্ধারণী কাজ সম্পন্ন করেন।
আরটিভি/এআর




